1. [email protected] : BD News : BD News
  2. [email protected] : Breaking News : Breaking News
  3. [email protected] : sohag :
আমেরিকা সেন্টমার্টিন দ্বীপে একটা ঘাঁটি গড়তে চেয়েছিল: আশিক | News12
January 29, 2022, 6:52 am

আমেরিকা সেন্টমার্টিন দ্বীপে একটা ঘাঁটি গড়তে চেয়েছিল: আশিক

Staff Reporter
  • Update Time : Sunday, December 26, 2021
  • 135 Time View

বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্টের মধ্যে বেশ বৈরিতা শুরু হয়েছে কুটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে। সম্প্রতি দেখা গিয়েছে বাংহলাদেশ ব্যপিড একশন ব্যটেলিয়নের বেশ কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্টের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং সেই সাথে আরো বেশকিছু বিষয় নিয়ে কথা উঠেছে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ এবং আমেরিকার মধ্যকার কুটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে বৈরিতা দেখা দিয়েছে খানিকটা।

এই নিরাপত্তা বিশ্লেষক আরও বলেন, ভূ-রাজনৈতিক নব্য মেরুকরণ হয়েছে বিশ্বে, সেই মেরুকরণে আমেরিকা বাংলাদেশকে যেভাবে তার স্বার্থে ব্যবহার করতে চেয়েছিলো তা পারেনি। বাংলাদেশ তার স্বার্থ সংরক্ষণ করছে। তবে বাংলাদেশের ওপর চাপ হিসেবে নানান ধরনের প্রক্রিয়া ব্যবহার করতে চাইছে আমেরিকা। এই চাপ বেশিদিন বহাল থাকবে না। কারণ বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব ও বিশে^ যে অবস্থান, বেশি চাপ দিলে অন্য মেরুকরণে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে।

বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে হয়তো কূটনৈতিক সম্পর্ক অনেক ক্ষেত্রে হালকা হয়ে গিয়েছিলো, সেটা গভীর করার জন্যও এই চাপ তৈরির চেষ্টা হতে পারে। আমেরিকার নানামুখী তৎপরতাকে অনেকেই বাংলাদেশ বিরোধী মার্কিন অবস্থান বলতে চাচ্ছেন, আমার তা মনে হয় না। কারণ মার্কিন স্বার্থ চিন্তা করে আমি দেখেছি, বাংলাদেশকে হাতছাড়া করা আমেরিকার স্বার্থের পক্ষে থাকবে না কিংবা যায় না। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন বন্ধুত্ব চলমান থাকবে।

চীনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে বাংলাদেশের স্বার্থটা কী? সেটি আমাদের প্রথমে বিবেচনা করতে হবে। আমরা কি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছি? চীনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়লে আমাদের অর্থনীতির কী হবে। চীনের অর্থনৈতিক সাহায্য কি বন্ধ হয়ে যাবে? সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি দেখতে চাই আমরা।

চীনবিরোধী জোটে বাংলাদেশ সরাসরি সম্পৃক্ত হতে চায়নি বা সংঘাতে জড়াতে চায়নি। বাংলাদেশ থাকতে চেয়েছে তাদের উন্নয়নের ধারা ধরে রাখার জন্য। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছেÑ সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরীতা নয়। সেক্ষেত্রে চীনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে দাঁড় করানো খুব দুষ্কর।

কারণ চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, সেটির গভীরতা আছে। বাংলাদেশকেও ভাবতে হবে, এই মেরুকরণের ভেতরে শুধু চীনমুখী হলেই আমাদের স্বার্থ সংরক্ষিত হবে কিনা। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ মাথায় রেখেই আমাদের পররাষ্ট্রনীতি বা জোটভুক্ত হতে হবে। বাংলাদেশের স্বার্থ যেখানে জড়িত আছে সেটিকেই গুরুত্ব দিতে হবে বেশি। কোনো আবেগে নয়।

আমেরিকা এর আগে সেন্টমার্টিন দ্বীপে একটা ঘাঁটি গড়তে চেয়েছিলো। তাদের আশা ছিলো, বাংলাদেশ রাজি হবে, কিন্তু মার্কিন আশা পূরণ হয়নি। মার্কিন প্রত্যাশা বাংলাদেশকে মেনে নিতে হবে, এমন আশাও বাস্তবসম্মত নয়।

আমেরিকা আমাদের তৈরি পোশাকের সর্ববৃহৎ বাজার। সেদেশে প্রায় সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার অর্থমূল্যের পোশাক রপ্তানি করি আমরা। যেখানে আমাদের অর্থনৈতিক স্বার্থ আছে, বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা বহাল রাখতে হলে অর্থনীতি ধরে রাখতে হবে। সেভাবেই এগোতে হবে আমাদের।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বের গভীরতা আছে। বাংলাদেশ এখন একাত্তরে নয়, বাংলাদেশের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। নতজানু পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশ এখন নেই। নিজেদের স্বার্থসংরক্ষণ করার জন্য যা কিছু করার দরকার, সেটাই করছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখতে হলে অতীতের সম্পর্ক গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে এগোতে হবে। যাতে সম্পর্ক নষ্ট না হয়।

বাংলাদেশের সাথে আমেরিকার অত্যান্ত ভাল সম্পর্ক রয়েছে তবে এই দুই দেশের কুটনিতিক সম্পর্কের কিছুটা বৈরিতা হয়েছে র‍্যবের কয়েকজন উর্ধতন কর্মকর্তার নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর থেকে এবং সেি সাথে দেশের অভ্যন্তরিন কিছু বিষয় নিয়ে তারা মতামত দিয়েছে। তবে মার্কিন এই নিষেধাজ্ঞা তেমন প্রভাব ফেলবে না এমনটা জানাচ্ছেন ক্ষমতাসীন দলের অনেক নেতারা

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

Releted
কপিরাইট : সর্বস্বর্ত সংরক্ষিত (c) ২০২২
Develper By ITSadik.Xyz