1. [email protected] : BD News : BD News
  2. [email protected] : Breaking News : Breaking News
  3. [email protected] : sohag :
এটা বড় রহস্য, সিসি ফুটেজে যা যা দেখা যায় তা বললে আমি গালি খাবো : তুহিন | News12
January 29, 2022, 7:25 am

এটা বড় রহস্য, সিসি ফুটেজে যা যা দেখা যায় তা বললে আমি গালি খাবো : তুহিন

Staff Reporter
  • Update Time : Saturday, December 25, 2021
  • 134 Time View

সম্প্রতি দেখা গিয়েছে কক্সবাজারে ঘটে গিয়েছে একটি দুঃখজনক ঘটনা সেখানে এক নারির সাথে খারাপ কাজ করা হয়য়েছে এবংহ এই ঘটনা নিয়ে সারা দেশে চলছে আলোচনা সমালোচনা এবং সেই সাথে এই ঘটানর সাথে যারা জড়িত ইতিমধ্যে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং জোরদার ভাবে এগিয়ে চলছে তদন্ত এবং জানা গেছে অনেক তথ্য এই ব্যপারে।

কক্সবাজার নিয়ে গত কয়েকদিন টানা ফালতু রিপোর্ট করা হয়েছে মিডিয়ায়। তার মধ্যে অন্যতম ছিলো, ডাল-ভাতের দাম ৪০০ টাকা। এটা রাবিস রিপোর্ট ছিলো। এখন কক্সবাজারে ধর্ষণের খবরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। আমি জীবনে সাংবাদিকতার জন্য বহুবার কক্সবাজার গেছি। ক্ষমতাসীনদের সেখানে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার তথ্য পেয়েছি। এক এমপি ইয়াবার গডফাদার, সেটা নিয়ে রিপোর্ট করার কারণে মামলা খেয়েছি, তা এখনো টানছি। একবার রিপোর্ট করেছিলাম, দেখিয়েছিলাম কতোজন পুলিশের লোক ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এবারে যে নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে তার বিষয়ে কিছু তথ্য দিচ্ছি। সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ থাকবে নির্মোহ সাংবাদিকতা করার জন্য। কারণ কক্সবাজারের সঙ্গে বহু কিছু যুক্ত। ঘটনা, ঘটনার পেছনের সব ঘটনা তুলে আনুন।

যে নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন তার স্বামী যাত্রাবাড়ীতে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে জব করেন। বউ নিয়ে ঘুরতে গেছেন এমনটিই তিনি বলেছেন। কিন্তু তিনি যে হোটেলে ছিলেন, তার রেজিস্টার বলছেন তিনি কিশোরগঞ্জের ঠিকানা দিয়েছেন। স্বামীকে দুজন সাংবাদিক বারবার জানতে চেয়েছেন, কিশোরগঞ্জ কোথায়, তিনি জবাবে দারুণ বলেছেন, গ্রাম সদর, থানা সদর সব সদর কিশোরগঞ্জ। তিনি সাংবাদিকদের আরও বলেছেন, তিনি রাজ মিস্ত্রির জোগালে। প্রতিদিন কাজ করেন, প্রতিদিন টাকা পান। এই দম্পত্তি তিন মাস আগে কক্সবাজার এসেছিলেন। সেবার তিনি শ্লীতহানির চেষ্টা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ আনেন তিন যুবকের বিরুদ্ধে। সেই তিন যুবক ইয়াবা ব্যবসায়ী। এরপর ফের তারা কক্সবাজারে আসেন, তারপর সম্প্রতি এসেছেন। মানে প্রতি মাসে একবার, অন্তত ভিক্টিম ও ভিক্টিম পরিবার সেটাই বলেছেন। তবে পুলিশ ও স্থানীয় সাংবাদিকরা খোঁজ নিয়ে জেনেছেন, এই দম্পত্তি টানা তিন মাস কক্সবাজারে আছেন।

পরে পুলিশ যখন জিডিটির কিনারা করতে ওই নারীকে কল দেন তখন থেকেই তার ওই নম্বরটি বন্ধ পান। সেখানেই অভিযোগ খতম, পুলিশ এগোয়নি। পুলিশ তখন দায়িত্ব নিয়ে তদন্ত করলে আমার ধারণা এই ঘটনা ঘটতো না। এবার যে তিন যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে ধর্ষণের তার মধ্যে আশিক নামের ছেলেটির বিরুদ্ধে থানায় ১৬টি মামলা আছে। আশিক ইয়াবার পরিচিত ডিলার। তথ্য বলছে, আশিক গত ১৫ দিনে বহু অপকর্ম করেছে, কিন্তু অজ্ঞাত কারণে পুলিশ নীরব ছিলো। প্রথমবার নারীটি ধর্ষণের শিকার হন কক্সবাজার স্টেডিয়ামের পেছনে একটা ঘরে। এরপর সেখান থেকে ৩-৪ কিলোমিটার দূরে জিয়া গেস্ট হাউসে ফের ধর্ষণের শিকার হন। জিয়া গেস্ট হাউসে নারীটি উঠেন সাথী নামে, আশিকের স্ত্রী হিসেবে। অন্তত রেজিস্টার তাই বলছে।

ধর্ষক কেন স্টেডিয়ামের পেছনে যেখানে সিসি টিভি নেই সেরকম সেইফ হোম ছেড়ে ৩-৪ কিলোামিটার দূরে সিসি টিভির নজরদারি থাকা জিয়া গেস্ট হাউসে গেলো সেটা মালুমে আসছে না। সিসি টিভির ফুটেজে যা যা দেখা যায় তা বললে আমি গালি খাবো, সেটা বলছি না। ধর্ষণের অভিযোাগ আসছে, চোখ বন্ধ করেই মেনে নিচ্ছি ধর্ষণ হয়েছে। কিন্তু কয়েকটা পয়েন্ট গভীর বিশ্লেষণের দাবি জানায়।

[১] কিশোরগঞ্জের ঠিকানা দিয়ে মিডিয়ার কাছে যাত্রাবাড়ীর দাবি করার কারণ কী? বাস্তবে হয়তো কিশোরগঞ্জে বাড়ি, থাকেন যাত্রাবাড়ী হতে পারে। কিন্তু সত্যি বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার। [২] মাস তিনেকের মাথায় দুটি ঘটনা একই নারীর সঙ্গে ঘটলো। এরপরও তারা এমন অনিরাপদ একটা শহরে কেন গেলেন। আমি তো ধর্ষণের কথা শোনার পর কক্সবাজারে যাবো না বলে ঠিক করেছি। [৩] মাস তিনেকের মধ্যে দুটি ঘটনার খলনায়ক ইয়াবা ব্যবসায়ী। তিন মাস আগের ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের প্রত্যেককে ইনভেস্টিগেশনের আওতায় আনতে হবে। এটা কি নিছক কাকতালীয়? নাকি ভিন্ন কিছু আছে?

[৪] আশিক ও তার দুই সহযোগী ৩-৪ কিলোমিটার দূরে একটা দুর্গম স্থানে ধর্ষণের পর কেন নারীটিকে জিয়া গেস্ট হাউসে নিয়ে গেলো? ওইখানে তো সব ধরা পড়বে। [৫] ভিক্টিম পরিবার টানা তিন মাস কক্সবাজার কেন আছেন? এটা বড় রহস্য। এই পরিবারের ফোনকল চেক করুন, গভীর মনোযোগ দিন। আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু রিপোর্ট কক্সবাজার নিয়ে করেছি। তার মধ্যে ইয়াবা ব্যবসা, মানবপাচার, রোহিঙ্গা, জঙ্গিবাদের মতো বিষয় ছিলো। কক্সবাজারে ক্রাইমের প্যাটার্ন নিয়ে আমার কিঞ্চিৎ ধারণা আছে, বলছি না তা যথেষ্ট। প্রতিটি অজানা তথ্য ও দরকারি প্রশ্ন সামনে রেখে কক্সবাজারের বন্ধু, বড় ভাইদের প্রতি সাংবাদিকতার আহ্বান জানাই। কক্সবাজারকে নষ্ট হতে দিয়েন না। একে রক্ষা করেন। নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তুলুন। নারীবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানান। মিডিয়া হাইপ, কথিত পপুলার চিন্তা মাথা থেকে বাদ দিয়ে কলম সমুন্নত রাখুন।

কক্সবাজারে নারী ধর্ষনের সেই ঘটনাটি এখন দেশের আলোচিত ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি এবং এই ঘটনায় মানুষ বেশ ক্ষুদ্ধ হয়েছে এবভং অচিরে যযান এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের গ্রেফতার কর হয় সেই দাবি জানাচ্ছে। তবে এই ঘটনা এখন দেখা যাচ্ছে নানা দিকে মোড় নিচ্ছে এবং জানা গিয়েছে ৈ দ্ম্পতি সেখানে তিন মাস ধরে রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

Releted
কপিরাইট : সর্বস্বর্ত সংরক্ষিত (c) ২০২২
Develper By ITSadik.Xyz