1. [email protected] : BD News : BD News
  2. [email protected] : Breaking News : Breaking News
  3. [email protected] : sohag :
ধর্ষক আশিকের আস্তানা ছিল যতসব অপকর্মের কেন্দ্র | News12
January 29, 2022, 7:36 am

ধর্ষক আশিকের আস্তানা ছিল যতসব অপকর্মের কেন্দ্র

Staff Reporter
  • Update Time : Saturday, December 25, 2021
  • 110 Time View

রোহিঙ্গা ইস্যুতে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কার্যালয়ের পাশেই গড়ে উঠেছিল নারী পর্যটককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত মূলহোতা আশিকের অপরাধের আস্তানা। নিরাপদ আস্তানা হিসেবে ব্যবহার হতো করোনার কারণে বন্ধ হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ঝুপড়ি ঘর। গড়ে তুলেছিল সংঘবদ্ধ গ্রুপও। এতদিন আশিকের ভয়ে কেউ কিছু না বললেও এখন তার সম্পর্কে মুখ খুলতে শুরু করেছেন অনেকেই।

এদিকে, কাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে আশিক ও তার সহযোগীরা এলাকায় অপরাধ কর্মকাণ্ড করছে এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই সড়কের দু’পাশে রয়েছে বেশকিছু ঝুপড়ি ঘর, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে কাজ
করা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কার্যালয়। এখানেই অপরাধের নিরাপদ আস্তানা গড়ে তোলে আশিক। আশিকের ছবি শনাক্ত হওয়ার পর থেকে তার সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য উঠে আসছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, ‘তার সহযোগী কারা কারা, কাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে থাকে এবং তারা এলাকায় কী কী কর্মকাণ্ড করে- এগুলো আমরা যাচাই করে দেখছি।’

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা করেন। আশিকুল ইসলামসহ এজাহারে চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া তিনজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

আশিকের ছবি শনাক্ত হওয়ার পর থেকে তার সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য উঠে আসছে। ঘটনার পর থেকে মামলার অন্য আসামিরা তারা আত্মগোপনে আছে।

শহরের বাহারছড়া এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, কক্সবাজারে সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের মূলহোতা আশিক। তার নেতৃত্বে রয়েছে ৩২ জনের একটি অপরাধী চক্র। সবাই তাদের চেনে।

আশিক বড় ধরনের অপরাধী। তারা একেকজন একেকভাবে বিভক্ত হয়ে আবার কখনো দুই-তিনজন দলভুক্ত হয়ে শহরের অলিগলিতে চুরি, ছিনতাই ও খুনসহ নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড করে বেড়ায়। পর্যটকদের তেমন কোনো নিরাপত্তা নেই। একজন ধরা পড়লে সিন্ডিকেটের আরেকজন এগিয়ে গিয়ে রক্ষা করে। চুরি-ছিনতাইয়ের মামলায় কয়েক মাস আগে আশিকুল ইসলাম আশিক গ্রেফতার হয়। কয়েক দিন আগে জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছে আশিক।

মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। সবশেষ পর্যটক ধর্ষণে জড়ায়। তাকে গ্রেফতার করলেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে। আশিকের মা ও ছোটভাই বাবুল বলেন, ’বুধবার (২২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আশিক বাসায় এসেছিল। কিছুক্ষণ পর একটি ফোন পেয়ে আবার বেরিয়ে যায় সে। এর পর থেকে
আর বাড়িতে ফেরেনি।’

পুলিশ ও র‌্যাবের তথ্য অনুযায়ী, আরিফুল ইসলাম আশিক ও তার সহযোগী আব্দুর রহমান জয় ছিনতাইকারী। আশিকের বিরুদ্ধে ১৬টি মামলা রয়েছে। জেলার সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের মূলহোতা আশিকের নেতৃত্বে অন্তত তিন ডজন অপরাধীর চক্র এখন সক্রিয়। আশিকের
সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের মূলহোতা হয়ে ওঠার পেছনে কে?

অভিযোগ রয়েছে, কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে তার এই বাড়বাড়ন্ত। পর্যটন এলাকার ত্রাস বলা হয় তাকে।

পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাতে কক্সবাজারের গুড ভাইব কটেজ নামে একটি রিসোর্টে অস্ট্রেলিয়ান এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা হয়েছিল। ওই সময়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে ওই নারী রক্ষা পান। এ ঘটনায় রিসোর্টের দুইজন কর্মচারীকে আটক করেছিল পুলিশ। তারা হলো রামু উপজেলার পেঁচারদ্বীপ এলাকার কলিম উল্লাহর ছেলে আনসার উল্লাহ (২৪) ও আবদুল মুনাফের ছেলে আবদুল গফুর (২০)। পরে তারা জামিনে মুক্ত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

Releted
কপিরাইট : সর্বস্বর্ত সংরক্ষিত (c) ২০২২
Develper By ITSadik.Xyz