নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে মুখ খুলতে দেওয়া হচ্ছে না: জাতিসংঘ

0
15

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতা এবং অনিয়ম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘ বলছে, ভোটের অনিয়ম নিয়ে মানুষকে মুখ খুলতে দেওয়া হচ্ছে না। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার হাইকমিশনারের মুখপাত্র রাভিননা সামদাসানি এক বিবৃতিতে এই কথা বলেন।



জেনেভা থেকে শুক্রবার (৪ জানুয়ারি) বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন এবং তার আগে-পরে সংগঠিত সহিংসতা, অনিয়ম এবং মানবাধিকারের লঙ্ঘন উদ্বেগজনক। ভোটের দিনে বিরোধী দলের ওপর প্রতিহিংসামূলক আচরণ যেমন



অবাধে গ্রেফতার, শারীরিক আক্রমণ, হয়রানি উদ্বেগজনক ঘটনা। ক্ষমতাসীন দল এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মিলে ভোটের দিনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনসহ অনিয়ম করেছে, যা দুঃখজনক।



গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে বিবৃতিতে বলা হয়, ৩০ ডিসেম্বর ভোটকে কেন্দ্র করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কমপক্ষে ২ জন সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে বাধা দেওয়া হয়। ভোটের আগে ৫৪টি অনলাইন সংবাদমাধ্যম বন্ধ করা হয়। এছাড়া ভোটের দিনে ইন্টারনেট-এ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়া হয়।

ভোটের অনিয়ম নিয়ে মানুষকে মুখ খুলতে দেওয়া হচ্ছে না- উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মানবাধিকার কর্মী এবং বিরোধীদলের রাজনীতিকদের মত প্রকাশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দিয়ে দমন-পীড়ন এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা



দেওয়া হয়। বিবৃতিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করতে আহ্বান জানানো হয়। সেই সঙ্গে বলা হয়, বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উচিৎ এসব অনিয়ম নিয়ে সোচ্চার ভূমিকা রাখা।



একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতা এবং অনিয়ম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘ বলছে, ভোটের অনিয়ম নিয়ে মানুষকে মুখ খুলতে দেওয়া হচ্ছে না। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার হাইকমিশনারের মুখপাত্র রাভিননা সামদাসানি এক বিবৃতিতে এই কথা বলেন।

জেনেভা থেকে শুক্রবার (৪ জানুয়ারি) বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন এবং তার আগে-পরে সংগঠিত সহিংসতা, অনিয়ম এবং মানবাধিকারের লঙ্ঘন উদ্বেগজনক। ভোটের দিনে বিরোধী দলের ওপর প্রতিহিংসামূলক আচরণ যেমন

অবাধে গ্রেফতার, শারীরিক আক্রমণ, হয়রানি উদ্বেগজনক ঘটনা। ক্ষমতাসীন দল এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মিলে ভোটের দিনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনসহ অনিয়ম করেছে, যা দুঃখজনক।



গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে বিবৃতিতে বলা হয়, ৩০ ডিসেম্বর ভোটকে কেন্দ্র করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কমপক্ষে ২ জন সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে বাধা দেওয়া হয়। ভোটের আগে ৫৪টি অনলাইন সংবাদমাধ্যম বন্ধ করা হয়। এছাড়া ভোটের দিনে ইন্টারনেট-এ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়া হয়।

ভোটের অনিয়ম নিয়ে মানুষকে মুখ খুলতে দেওয়া হচ্ছে না- উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মানবাধিকার কর্মী এবং বিরোধীদলের রাজনীতিকদের মত প্রকাশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দিয়ে দমন-পীড়ন এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়া হয়। বিবৃতিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করতে আহ্বান জানানো হয়। সেই সঙ্গে বলা হয়, বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উচিৎ এসব অনিয়ম নিয়ে সোচ্চার ভূমিকা রাখা।

সংবাদ উৎস – সারাবাংলা https://sarabangla.net/ভোটের-অনিয়ম-নিয়ে-মুখ-খুলত/



LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here