1. [email protected] : BD News : BD News
  2. [email protected] : Breaking News : Breaking News
ইউপি নির্বাচনে আ’লীগ মনোনীত দুই ভাইয়েরই ভরাডুবি | News12
January 22, 2022, 8:42 pm

ইউপি নির্বাচনে আ’লীগ মনোনীত দুই ভাইয়েরই ভরাডুবি

Staff Reporter
  • Update Time : Tuesday, November 30, 2021
  • 2 Time View

ইউপি নির্বাচনে একদিকে পাওয়া যাচ্ছে একই ইউনিয়নে ভাই-বোনের একসাথে জয়লাভ করে তাক লাগানোর খবর। অন্যদিকে দুই ভাই সরকারী দলের প্রার্থী হয়ে দু’জনেরই ভরাডুবি হবার খবরও আসছে।রাজবাড়ীতে আপন দুই ভাই ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী হন। ইউপি নির্বাচনে এক ভাই চেয়ারম্যান আর অন্যজন মেম্বার পদে। কিন্তু নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন দু’জনই। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে দলের নেতাকর্মী ও এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েও ইউপি নির্বাচনে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বালিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুল হান্নান মোল্যার ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে ভরাডুবি হয়েছে। তিনি নৌকা প্রতীকে তৃতীয় ধাপের এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আহম্মদ আলী মাস্টারের কাছে ৪ হাজার ৩৬৪ ভোটে পরাজিত হয়েছেন।একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরেছেন তার আপন ভাই আব্দুর রউফ মোল্যাও।

গত রোববার রাতে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার নিজাম উদ্দীন আহম্মেদ স্বাক্ষরিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়। তার তথ্যমতে, আ’লীগের সভাপতির ভাই আব্দুর রউফ মোল্যা তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৬৯ ভোট। আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো: মোহন রায়হান মোরগ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৩৮ ভোট। সদস্য পদে ১৬৯ ভোটে হেরেছেন সভাপতি আবদুল হান্নান মোল্যার ভাই আব্দুর রউফ মোল্যা।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বলেন, সকল পদ-পদবী ও ক্ষমতা তাদের পরিবাররেই দরকার এমন মানসিকতাই কাল হয়েছে সভাপতিসহ তাদের পরিবারের। নিজে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। এরপর জেলা পরিষদের সদস্য ছিলেন। মাত্র কয়েক মাস পরেই জেলা পরিষদ নির্বাচন, অথচ সেখান থেকে পদত্যাগ করে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে আসেন সভাপতি আবদুল হান্নান।

বিষয়টি নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আব্দুল জব্বার বলেন, ‘লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু’ – তার ক্ষেত্রে সেটি ঘটেছে। তিনি জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ছিলেন। সেখানে ভালো ছিলেন। তাকে নিষেধ করেছিলাম শোনেন নাই। সব একার দরকার হলে মানুষের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম হয়। তাই তিনি হেরেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

Releted
কপিরাইট : সর্বস্বর্ত সংরক্ষিত (c) ২০২২
Develper By ITSadik.Xyz