জাতীয় সংলাপসহ ৩ দিনের কর্মসূচি ঐক্যফ্রন্টের

0
31

একাদশ জাতীয় সংসদের পুনর্নির্বাচনের দাবিতে জাতীয় সংলাপসহ তিন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠান, নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে দ্রুত মামলা দায়ের এবং নির্বাচনী সহিংসতাকবলিত এলাকাগুলোয় ফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের সফর। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সিলেটের বালাগঞ্জে যাবেন নেতারা। তবে কবে কখন জাতীয় সংলাপ হবে এর কোনো দিনক্ষণ বলা হয়নি।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে ফ্রন্টের মুখপাত্র বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।


কর্মসূচির সিদ্ধান্ত জানিয়ে ফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা আজকে ফ্রন্টের বৈঠক করেছি, যেখানে ৩০ ডিসেম্বর কী ঘটেছিল তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করছি—নির্বাচন যে করা হলো, যে নির্বাচন আমরা আশা করেছিলাম, জনগণ যে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তাদের প্রতিনিধি বাছাই করতে পারত, সেটা তো হয় নাই। কোনো একটা জিনিস হয়েছে; যেটাকে প্রচার করা হচ্ছে, নির্বাচন হয়েছিল এবং সেটার ফলাফলের ভিত্তিতে এই সরকার গঠন করা হয়েছে। আমরা কিছু কর্মসূচি নিয়েছি, এর মধ্যে একটা জাতীয় সংলাপ হবে।

এরপর ফ্রন্টের পক্ষ থেকে একটি লিখিত বিবৃতি মুখপাত্র মির্জা ফখরুল পড়ে শোনান। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নির্বাচন কমিশনের কাছে আমাদের জোর দাবি হচ্ছে, অনতিবিলম্বে নির্বাচনের কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলের সঠিক অনুলিপি প্রদানের ব্যবস্থা করা হোক। জনগণ যেন কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলের অনুলিপি পাওয়ার পর তা আদালতে উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রমাণ করতে পারে, ৩০ ডিসেম্বর সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হয়নি। এমতাবস্থায় নির্দলীয় সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে পুনরায় একটি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের জোর দাবি করছি।’



বিবৃতিতে বলা হয়, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে সরকারি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে সন্ত্রস্ত্র হয়ে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। ফলে জনগণ নিজেদের মতামত প্রকাশের অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার তথা সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ইউএন কনভেনশন অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের মতে শুধু সাংবিধানিক অধিকার নয় বরং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের মানবাধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসব বেআইনি কর্মকাণ্ড গুরুতর অপরাধ। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন দেশের মালিক জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

এতে আরো বলা হয়, অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অপব্যবহার করে এবং সেনাবাহিনীর কার্যকর ভূমিকাকে নিষ্ক্রিয় করে নির্বাচন কমিশন পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মৌখিক নির্দেশ দিয়ে সরকারি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী বাহিনীকে ব্যালট পেপারে নৌকা ও লাঙল প্রতীকে সিল মেরে বাক্স ভর্তি করে রাখতে সাহায্য করেছে।

এর আগে বেইলি রোডে ড. কামাল হোসেনের বাসায় বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে ড. কামাল হোসেন, মির্জা ফখরুল ছাড়াও জেএসডির আ স ম আবদুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, জগলুল হায়দার আফ্রিক, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান, শহিদুল্লাহ কায়সার, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



দুর্নীতির মামলায় কারাগারে সাবেক কাউন্সিলর””’

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা অর্থ আত্মসাৎ মামলায় বরিশাল মহানগর বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সিটি কাউন্সিলর সৈয়দ জাকির হোসেন জেলালকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) জেলাল ওই মামলায় বরিশাল বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিচারক মহসিন-উল হক তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

বিএনপি নেতা জেলালের বিরুদ্ধে ঢাকা ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করে দুদক। জেলাল বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের ভাই।

আদালত সূত্র জানিয়েছে, ভূয়া কার্যাদেশ ও জাল গ্যারান্টিপত্র দেখিয়ে এবং জনবল নিয়োগের নামে সৈয়দ জাকির হোসেন জেলাল ঢাকা ব্যাংকের বরিশাল শাখা থেকে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ঋণ নেন। জেলালের জালিয়াতি ব্যাংকের কাছে ধরা পড়লে ২০১৩ সালের ৬ আগস্ট ঢাকা ব্যাংকের বরিশাল শাখার ব্যবস্থাপক আব্দুল মালেক হাওলাদার ঋণ গৃহীতা জেলালের বিরুদ্ধে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্র্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। ওই আদালত তখন মামলাটি দুদক বরিশাল কার্যালয়কে তদন্তের নির্দেশ দেন।



তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের বরিশাল কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এবিএম আব্দুর সবুর অভিযোগ তদন্ত শেষে জেলালের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্র দাখিলের পর বিএনপি নেতা জাকির হোসেন জেলাল গত ১২ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত থেকে ৪ সপ্তাহের অন্তবর্তীকালীন জামিন নেন। মঙ্গলবার ওই মামলায় জেলাল বরিশাল বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে হাজিরা দিতে গেলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

শেখ হাসিনা ইতিহাস গড়েছেন, ড. কামাল এবার কী করবেন”””’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। চমক মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতাদের অনেকের ক্লিন ইমেজ দক্ষতা এবং সুনাম থাকলেও ঠাঁই দেননি। মহাজোটের প্রধান শরিক জাতীয় পার্টি এবার কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে। তাই তাদের কেউ মন্ত্রিসভায় নেই। এমনকি মহাজোটের অন্য শরিক ১৪ দলের কাউকেও মন্ত্রিসভায় রাখা হয়নি। রাখা হয়নি ’৭৯ সাল থেকে টানা ৮ বার বিজয়ী পার্লামেন্টারিয়ান শেখ ফজলুল করিম সেলিমসহ নিকটাত্মীয় কাউকেই। এক নির্মল মন্ত্রিসভায় শেখ হাসিনা অবহেলিত এলাকার নতুনদের সুযোগ করে দিয়েছেন।



বাদপড়া মন্ত্রীদের অনেকেই সফল, দক্ষ ও সৎ ছিলেন। কেউ কেউ দুর্নীতিসহ নানা কর্মকাে ছিলেন বিতর্কিত। তাদের সবাই বাদ পড়ায় কারও কারও জন্য কেউ কেউ আফসোস করলেও ব্যথিত হননি। নতুন মন্ত্রিসভায় যাদের ঠাঁই দিয়েছেন তাদের দু-চারজন অভিজ্ঞ রয়েছেন। সবাই সৎ, ক্লিন ইমেজ নিয়ে মন্ত্রিত্বের শপথ নিয়েছেন। সততা ও দক্ষতার সঙ্গে শপথ রক্ষা করে দায়িত্ব পালন করলে নিশ্চয় তাদের আমলনামা সাফল্যের পাল্লাকেই ভারী করবে। সততা, দক্ষতা প্রমাণে যারা ব্যর্থ হবেন অতীতের অনেকের মতো তারা বিতর্কের বোঝা নিয়ে নিন্দিত হবেন। প্রধানমন্ত্রী যে সুযোগ দিয়েছেন সততার সঙ্গে পবিত্র ইবাদতের মতো দায়িত্ব পালন করলে জনগণের হৃদয় জয় করবেন।



ব্যক্তিগত লোভ ও লাভের আশায় কেউ এ সুযোগ ব্যবহার না করে শেখ হাসিনার নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে পুলসিরাতের রাস্তা পার হবেন বলে আমাদের বিশ্বাস। এই দায়িত্ব অনেক বড় ইমানি দায়িত্ব। এর জন্য ইহকাল ও পরকালে জবাবদিহিতার ব্যবস্থা রয়েছে। সরকারপ্রধান হিসেবে নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় নিয়ে শেখ হাসিনা টানা তৃতীয়বার ও মোট চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করে বিশ্ব রাজনীতিতে ইতিহাস গড়লেন। নির্বাচনী ফলাফল বিস¥য়কর। নির্বাচনে শেখ হাসিনার ইমেজের ওপর মহাজোট দৃই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে বিজয়ী হচ্ছেন, এমন ধারণা ভোটের আগেই সবার মধ্যে ছিল। কিন্তুু ভোটের ফলাফলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বা বিএনপির শক্তিশালী অনেক প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট অবিশ্বাস্য ও নজিরবিহিন যেমন সত্য তেমনি এককালের বিএনপির দুর্গ তছনছ হয়ে যাওয়ার দৃশ্য ছিল বিস্ময়কর। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। এমনকি তাদের যে ৭ জন বিজয়ী হয়েছেন তারা শপথ নেবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একুশের গ্রেনেড হামলাসহ নানা মামলায় দি ত হয়ে আইনের চোখে পলাতক আসামি হিসেবে লন্ডনে নির্বাসিত। এই নির্বাচনে মনোনয়ন দানের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন বাতিল হওয়া যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামীকে ২২টি আসনে ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়ন দিয়ে তাদের প্রতীক ধানের শীষকে পাপের বিষে পরিণত করেছিল। নতুন ভোটারদের জন্য এটি ছিল চরম আঘাত।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেনের আবেগ অনুভূতি ও আদর্শিক জায়গা যেমন উপেক্ষিত হয়েছে তেমনি মনোনয়ন বাণিজ্যের আগ্রাসনে বিএনপির পরিশীলিত ক্লিন ইমেজের নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বকে অবজ্ঞা করা হয়েছে। তার পরেও এই ফলাফল বিএনপির কাছে যেমন অপ্রত্যাশিত তেমনি মানুষের কাছে কিছুটা হলেও প্রশ্নবিদ্ধ। অতীতে বিএনপি অনেক হঠকারী পথ নিয়ে সুফল ঘরে তুলতে পারেনি। বিরোধী দলের আসন নাই পাক, বিএনপি থেকে অন্তত দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ঐক্যফ্রন্টের নেতা সাবেক ডাকসু ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ ঝড়ের কবল থেকে উঠে এসেছেন।



বিজয়ী হয়েছেন। সংসদের বাইরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যদি নতুন নির্বাচনের দাবিতে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করে জনমত পক্ষে টানতে চায় তাহলে প্রথমেই তাদের জামায়াতের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। তারপর একটি জনপ্রিয় দল হিসেবে বিএনপিকে সংগঠন তৃণমূল থেকে সুসংগঠিত করে আনতে হবে। সংগঠন ছাড়া ও কার্যকর সংগঠক ছাড়া কোনো আন্দোলন আলোর মুখ দেখে না। সরকার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যে শক্তি অর্জন করেছে তাতে আন্দোলনের স্পেস খুব বেশি দেবে বলে মনে হয় না। তবুও রয়ে সয়ে সংগঠন গুছিয়ে নরমে-গরমে আন্দোলনের পাশাপাশি সংসদেও ঐক্যফ্রন্ট বা বিএনপিকে ভূমিকা রাখতে হবে। এবারের সংসদে জাতীয় পার্টি কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকছে। মহাজোটের শরিক ১৪ দলের নেতারাও মন্ত্রীত্বের বাইরে থাকছেন। রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, মঈনউদ্দিন খান বাদল আছেন। এমনকি অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মতিয়া চৌধুরীরা ক্ষমতার বাইরে সংসদে বসছেন। জাতীয় ইস্যুতে বা কোনো মন্ত্রীর ব্যর্থতায় অতীতে যেমন তারা চুপ করে থাকেননি তেমনি এবারও থাকবেন না। এ ক্ষেত্রে এই সংসদ আলোচিত ও আলোকিত এবং সব বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সেখানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ জন যোগ দিলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সুলতান মনসুরের জন্য কথা বলার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। সংসদে কথা বললে বিতর্ক যেমন মানুষের দৃষ্টি কাড়বে তেমনি জনমনে প্রভাব ফেলবে। আর গণমাধ্যম উদার নীতি নিয়ে কাভারেজ দেবে।



ড. কামাল হোসেন আর যাই হোক একজন অভিজ্ঞ, প্রাজ্ঞ ও বিচক্ষণ আইনজ্ঞ এবং রাজনীতিবিদ। হঠকারী উগ্র নেতিবাচক সিদ্ধান্ত তার কাছ থেকে মানুষ আশা করে না। ড. কামাল হোসেন সংসদের ভিতরে বাইরে বিরোধী দলের জন্য সব পথ কার্যকরভাবে খোলা রাখতে চাইলে তাদের শপথ নিয়ে সংসদে নিয়মিত ভূমিকা রাখতে বলুন। যে কোনো ইস্যুতে কথা বলতে বলুন। যে অভিযোগ বাইরে করছেন সেটি সংসদে করতে বলুন। এমনকি নতুন নির্বাচন চাইলে সেই দাবিটিও যুক্তি, বিচার-বিশ্লেষণ করে সংসদে উত্থাপন করার সুযোগ নিতে বলুন। শেখ হাসিনা ইতিহাস গড়েছেন। ড. কামাল এখন কী করবেন? যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিন। সুলতানদের সংসদে দিন।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here