করোনার কারণে মহাসংকটে পাকিস্তান

0
49

মহামারীর প্রভাবে দেশটিতে বেকারত্ব বেড়েছে, প্রকট হয়েছে দারিদ্র। সমস্যাক্রান্ত দেশটিতে যতোটা রাজস্ব ঘাটতি হবে বলে ধারণা করা হয়েছিলো, করোনা তার মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দেবে। এশিয়া টাইমস, রয়টার্স, ইয়ন, এএনআই

একদিকে রাজস্ব আয় কমে গেছে, অন্যদিকে বেড়েছে সরকারের খরচ। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকরা স্বাভাবিকভাবেই মন্দার আশংকা প্রকাশ করেছেন। আর তাই সংক্রমণের হার বাড়তে থাকা সত্ত্বেও লকডাউন তুলে নিতে শুরু করেছে সরকার।

অনেকদিন ধরে অর্থসংকটে ভুগতে থাকা দেশটিতে এবার রাজস্ব ঘাটতির হার হবে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। এটি করোনা মহামারী শুরুর আগে ধারণা করা হয়েছিলো। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটির আর্থিক অবস্থার আদ্যোপান্ত পর্যালোচনা করে ধারণা করা হচ্ছে, ঘাটতির হার হবে কমপক্ষে ৯ দশমিক ৮।পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী আব্দুল হাফিজ শেখ গত ৮ মে বলেছিলেন, রাজস্ব ঘাটতির হার ৯ শতাংশ হতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। কিন্তু পরিস্থিতি প্রতিদিনই পাল্টাচ্ছে এবং বেশ দ্রুতগতিতেই।

সরকারের দুজন সিনিয়র কর্মকর্তার আশঙ্কা, ঘাটতির হার ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে অবধারিতভাবেই বাড়বে দারিদ্রের হার। ২৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ থেকে বেড়ে তা ২৯ শতাংশে বাড়তে পারে বলে অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে তা ৩৩ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছে যেতে পারে।

অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের এই সময়ে দেশটিতে কমপক্ষে ৩০ লাখ লোক বেকার হবে। এর মধ্যে ১০ লাখ শিল্পখাতে ও বাকিরা সার্ভিস সেক্টরে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এরই মধ্যে বলেছে, পাকিস্তানে অথর্নীতি নেগেটিভ গ্রোথের দিকে যাচ্ছে, যার হার হবে ১ দশমিক ৫ শতাংশ।

দাতা ও বন্ধুদেশগুলোর সাহায্য ছাড়া এই পরিস্থিতি সামাল দেয়ার আর কোনো পথ নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।

উৎসঃ amadershomoy