প্রসঙ্গ : বাংলাদেশে ‘ভারতীয় সৈন্য পাঠানো’

0
187
Indian security forces personnel are on manoeuvres as a gunfight with militants has happened that killed 4 soldiers, in South Kashmir's Pulwama district, some 10 km away from the spot of recent suicide bombing, on February 18, 2019. - At least four soldiers died on February 18 in a fierce gunfight with rebels in Indian-administered Kashmir just four days after a suicide bomber killed 41 paramilitaries in the troubled territory, officials said. One soldier and one civilian were also critically wounded in the shootout as troops launched a search operation in Pulwama district where the suicide bomber struck on February 14. (Photo by STR / AFP)

পড়শি রাষ্ট্রের সরকার, তার দেশের সরকারি বার্তা সংস্থা আর তার গোয়েন্দা বিভাগের দায়িত্বজ্ঞানহীন ও একটি কাজ। ভারতের সবচেয়ে বড় সরকারি বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই), এরা হতে পারে এ দেশে সেনা পাঠানো প্রপাগান্ডায় নেমেছেন এবং বানানো খবর ছেপে দিয়েছেন। সেই খবরটা হলো, ভারত নাকি ‘বাংলাদেশে আর্মি পাঠাচ্ছে’।

কিন্তু প্রকৃত ব্যাপারটা হলো, এই পিটিআই কি জানে না কোনটা নিউজ আর কোনটা ভিত্তিহীন প্রপাগান্ডা? এটা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। বিশেষত যখন গোয়েন্দা বিভাগের কাছে পেজ বিক্রি করা হয়। অনেকের মতে, ভারতে মিডিয়ায় এখন একটা রেওয়াজ হয়ে গেছে, কোনো পত্রিকার ফাইন্যান্সিয়াল অবস্থা যত খারাপ গোয়েন্দা বিভাগের কাছে সে তত বেশিবার নিজেকে বিলিয়ে দেবে, ‘পেজ বিক্রি’ করা হবে। সে ক্ষেত্রে গোয়েন্দা বিভাগ যেভাবে যা খুশি ছাপতে চায়, সেভাবে তা যেন ছাপাতে পারে কিন্তু সাংবাদিকতার নামে ইতরামো করে চলতে দেয়া যায় না। বিশেষ কর্তৃপক্ষের মিডিয়াকে প্রভাবিত করার বাজেট হাতে থাকা, সেটিই এখানে ব্যবহৃত হয়। ‘ছপ্পড় ফেরে’ এই বাজেট ঠেলে দেয়া হয়। এটাই যেন দুস্থ ভারতের মিডিয়ার সাধারণ ঝোঁক। নইলে এতই প্রাচীন বর্ষীয়ান সম্পাদক শেখর গুপ্তা, বড় বড় কথা বলেন। তাকেও কী দিয়ে ব্যাখ্যা করব? তার নিজের পত্রিকা ‘দ্য প্রিন্ট’- তারও এই দশা কেন? এই নিউজ প্রসঙ্গে ‘দ্য প্রিন্ট’-এর চেয়ে ‘দ্য হিন্দুর’ প্রেজেন্টেশন অনেক শোভন। কিন্তু ‘দ্য প্রিন্ট’ পড়ে মনে হয় পিটিআইয়ের হুবহু না লিখলে যেন চলে না। আলোচ্য কেসটা আরো বড়। আচ্ছা, ভারতীয় হাইকমিশন যখন জানিয়েছেন এটা মিথ্যা খবর- এখন শেখর গুপ্তারা কী বলবেন?

আলোচ্য কেসটা আরো অনেক বড় এজন্য যে, এবার সরকারি পিটিআই নিজেও এই বানোয়াট ব্যবসায় এসে গিয়েছে অথচ পিটিআই ভারতের প্রধান বার্তা সংস্থা। আমাদের বাসস বা ইউএনবি পিটিআইয়ের তুলনায় ছোট্ট প্রতিষ্ঠান। কারণ, ভারতের মিডিয়া ব্যবসায় খবর সংগ্রহের খরচ কমানোর জন্য এত বড় ভারতজুড়ে নেটওয়ার্ক ছড়ানো আছে একমাত্র পিটিআইয়ের। এ কারণে ভারতের সব রাজ্যের সব পত্রিকার প্রধান ও প্রায় একমাত্র খবরের উৎস এই প্রতিষ্ঠান। এর বিপরীতে বাংলাদেশে বার্তা সংস্থার ভূমিকা অনেক কম। বাংলাদেশের মিডিয়াগুলো সবার মূলত নিজস্ব রিপোর্টার থাকে। তবে তাদের সংগৃহীত খবরের খুব ছোট একটা অংশ তারা সরকারি-বেসরকারি বার্তা সংস্থা থেকেও নিয়ে থাকেন। প্রত্যেকেরই বিটের সাংবাদিক আছে।

মিডিয়ায় বার্তা সংস্থার খবর ছাড়া আর এক ধরনের ‘উৎস’ থাকে- যেমন ‘আমাদের নিজস্ব সোর্স বা সূত্র বলেছে’। তবে কখনো বা কথিত ‘সোর্স’ অথবা ‘সূত্র মোতাবেক’ বলে গুজব বা প্রপাগান্ডাও চালিয়ে দেয়া হয়। ভারতে পেজ বিক্রি এভাবেই হয়ে থাকে। তবে ‘নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক’ বা ‘প্রত্যক্ষদর্শী’ সোর্স-এগুলো বিশ্বাসযোগ্য হয় অনেকসময়। পিটিআইয়ের ‘আমার সোর্স বলছে’ বা ‘সূত্র মোতাবেক’ বলে এমন উৎসের খবর ছাপানোর সুযোগ কম। মূল কারণ এটা সরকারি তো বটেই; এ ছাড়া একটা বার্তা সংস্থা ‘সূত্র-খবরের’ কাজ করে না। এ ছাড়া এ ধরনের কাজগুলো মূলত ব্যক্তি বা গ্রুপ মালিকের পত্রিকাগুলোর জন্যই যেন মূলত বরাদ্দ। এই সূত্রে আমরা কোনো কোনো দেশের গোয়েন্দা বিভাগকে সে দেশের কম-প্রচারিত পত্রিকাগুলোর সাথেই সরাসরি ‘কেনাবেচা’ করতে দেখি।

এসব বিচারে ‘ভুয়া সোর্সের নামে’ পিটিআই ভারতে পেজ বিক্রি করেছে- এমন আগে দেখেছি বলে মনে পড়ে না। এগুলো প্রাইভেট মিডিয়া আউটলেট করে থাকে। কিন্তু এবারই প্রথম আমরা দেখলাম সরকারি পিটিআই এমন প্রপাগান্ডা করেছে।

এই রিপোর্টে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও আফগানিস্তান এই চারটা দেশের নাম উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে- ভারতীয় সৈন্য এসব দেশে আলাদা আলাদা গ্রুপে পাঠাতে প্রস্তুত করা হচ্ছে (রেডিয়িং সেপারেট টিম)। আর তাতেই চার দেশের মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম- এই প্রপাগান্ডা খবর অস্বীকার করেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেন। এর পরে তা করেছেন আরেকটু পরিষ্কার ও কঠোরভাবে শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষা সচিব অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কমল গুণরত্নে। শ্রীলঙ্কার বক্তব্য বেশি ক্যাটাগরিক্যাল এবং বোল্ড। তিনি বলেছেন, ‘সৈন্য পাঠানো প্রসঙ্গে দু’রাষ্ট্রে আমাদের মধ্যে কোনো ডায়লগও হয়নি।’ অর্থাৎ তিনি মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে, শ্রীলঙ্কা সার্বভৌম দেশ। ফলে কোনো ডায়লগ ছাড়া রাজি না হলে কোনো দেশ সে দেশে সৈন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

শ্রীলঙ্কা তার প্রতিক্রিয়া আরেকটু জোরদার করতে পেরেছে বলা যায়। শ্রীলঙ্কার অন্তত দু’টি মিডিয়া স্থানীয় ভারতীয় হাইকমিশনকে এ খবর নিয়ে প্রশ্ন করলে যেমন, শ্রীলঙ্কার ‘ডেইলি মিরর’ পত্রিকাকে হাইকমিশন এমন ‘খবর মিথ্যা’ (ক্লেম ইজ ফলস) বলে অস্বীকার করেছে।

এখন এখানে এক মজার তামাশা দাঁড়িয়ে গেছে। এর অর্থ হলো, ভারত সরকারের একটি অফিস আরেকটি অফিসের দাবিকে ‘মিথ্যা বলছে’, অস্বীকার করছে। এখন একমাত্র ফয়সালা প্রধানমন্ত্রী মোদিই করতে পারবে সম্ভবত!
এর মানে হলো, পিটিআইয়ের ইজ্জত-লজ্জা কিছু থাকলে তাদের এখন ‘ঝুলে পড়া উচিত’। কারণ শ্রীলঙ্কার ভারতীয় হাইকমিশনই বলেছে তারা সত্য বলেননি।

ঠিক এ ধরনের প্রপাগান্ডা কোনো সরকারি বার্তা সংস্থা করে না, করা উচিত নয়। বিশেষত যখন ব্যাপারটা একাধিক বিদেশী রাষ্ট্রকে জড়িয়ে। এমন খবর নাকি ‘বিশেষ সূত্রের খবর’। এগুলো তাহলে এখন কোথায়? তাহলে এমন ঘটনা ঘটে গেল কী করে?

খুব সম্ভবত এটা সরকার প্রধান আর বিজেপির ইমেজ বাড়ানোর কোনো অ্যাসাইনমেন্ট ছিল। আর এ দিকে অর্থ বা পদ-পদবির লোভ সরকারি কর্মচারীরা সামলাতে পারেননি, এরা তাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। আর ব্যাপারটাকে বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য হয়তো (সরকারের বিশেষ স্বার্থ বা দেশপ্রেমের কথার আড়ালে) গোয়েন্দা বিভাগ আর পিটিআইকে সংশ্লিষ্ট করা হয়েছিল। ভাষ্যটা হলো- এ সরকার এতই উঁচুতে ভারতকে নিয়ে গেছে যে, পড়শি চার-চারটা রাষ্ট্র এখন তার পকেটে আর প্রধানমন্ত্রীকে সেগুলো দেখভাল আর ঠিকঠাক করে রাখতে হয়। তাতে আমরা অস্বস্তিহীন হয়ে গেলাম কি না জানা নেই। ‘অন্যের ব্যাগেজ’ বইতে বইতে আমাদের মান-ইজ্জত কমে গেল নাকি? থ্যাঙ্কস টু শ্রীলঙ্কান জার্নালিস্ট।

পিটিআইয়ের ওই উদ্ভট রিপোর্টে একটা বাক্য ছিল যে অংশটা কোনো পত্রিকা বাদ দেয়নি। বাক্যটা হলো, ‘সার্ক রিজিয়নে করোনা মহামারী ঠেকানোর জন্য একটা কমন ফ্রেমওয়ার্ক গড়ার কেন্দ্রীয় ভূমিকায় সবার আগে রয়েছে ভারত!’

আমাদের প্রধানমন্ত্রী মোদির সাথে সার্কের করোনা বৈঠক করতে গেছিলেন কেন? চাঁদাইবা দিয়েছিলেন কেন? মোদিকে প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করতে দেয়া- ‘প্লেয়িং কী রোল’ করার জন্য কি? কোনো আলাপ আলোচনা ছাড়াই কিছু দেশে সেনাবাহিনী পাঠিয়ে দেয়ার জন্য নিশ্চিয়ই নয়। ‘সার্বভৌমত্ব’ বলে একটা শব্দ আছে!

এখানে আলোচ্য ওই মিথ্যা রিপোর্টের কিছু বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যাক : এক : পিটিআইয়ের ওই রিপোর্টে মাত্র চারটি দেশের নাম আছে। পাকিস্তান বা নেপালের নাম নেই কেন? নাম নিতে কি ভয় লেগেছে। না কোনো ‘ঝাপ্টা’ খাওয়ার সম্ভাবনা ছিল? সার্কের সদস্য তো অন্তত সাত রাষ্ট্র। দুই : ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘মোদি সরকারের বন্ধুত্ব-সহযোগিতার নীতি অনুসরণ করে মহামারী সামলাতে ৫৫টা দেশে অ্যান্টি-ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রক্সি-ক্লোরোকুইন পাঠানো হয়েছে, আর তা আমেরিকাতেও।’ কিন্তু ঘটনা হলো, এই তথ্য অর্ধসত্য অথবা কোথাও বা অসত্য। কারণ, এই ওষুধ ভারতের প্রয়োজনের তুলনায় দশ গুণ উৎপাদিন হওয়া সত্ত্বেও গত সপ্তাহে ভারত থেকে রফতানি নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছিল । কিন্তু পরে ট্রাম্পের হুমকি-ধমক খেয়ে তৎক্ষণাৎ সব রফতানি বাধা খুলে দিয়েছে সরকার। শুধু তাই নয়। এরপর থেকে মোদি দাবি করছেন, এখন তিনি উদার হয়ে গেছেন, ৫৫টি দেশে তা পাঠাবেন।

আরো ভয়াবহ প্রধান তথ্য হলো, হাইড্রক্সি-ক্লোরোকুইন করোনাভাইরাসের ওষুধই নয়, এটা মূলত ম্যালেরিয়া তাড়ানোর ওষুধ। অথচ ভারত সরকার দুই সপ্তাহের বেশি ধরে এমন ভাব আনছে যেন ভারতই এই মহা-ওষুধের আবিষ্কারক, এবারই আবিষ্কার হলো। এ কথা সত্য নয়। অনেক আগেই এই ওষুধ আবিষ্কৃত আর ভারতের ম্যালেরিয়া রোগীর জন্য তাদের নিজেদেরই এটা অনেক লাগে, তাই অনেক প্রস্তুত করা হয়ে থাকে। কিন্তু তবু এটা এখনো করোনার ওষুধ হিসেবে অনুমোদিতই নয়। হু ’র কাছেও নয়। তিন : ওই একই রিপোর্টে পরের বাক্যও অসত্য।
রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ‘হাইড্রক্সি-ক্লোরোকুইন অ্যামেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশনের দ্বারা করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ট্রিটমেন্ট বলে চিহ্নিত করা হয়েছে…’। এটা বাস্তবভিত্তিক তথ্য নয়।

মজার কথা হলো, ২১ এপ্রিলের এই রিপোর্টেই প্রথম অ্যামেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) বলে ওষুধের অনুমোদনদাতা বা অথরিটি প্রতিষ্ঠান বলে কেউ আছে, তা নিয়ে প্রথম সে মিডিয়া স্বীকারোক্তি পাওয়া গেল। গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ভারতের প্রতিটি দৈনিকসহ মিডিয়ায় ম্যালেরিয়ার ওষুধ ‘হাইড্রক্সি-ক্লোরোকুইন নিয়ে তুঙ্গে আলাপ করা হচ্ছিল এভাবে যে ১. ভারতেই করোনার ওষুধ পাওয়া গেছে। ২. তা ভারতের হাতেই আছে। ৩. তা বিশাল ‘গেম চেঞ্জার’, ‘ভারত খেলা বদলে দিতে পারে’ ইত্যাদি। কিন্তু এসবের বাইরে কোথাও এই ওষুধের প্রমাণিত কার্যকারিতা বা অনুমোদনই নেই এবং কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়- এ দিকটা সব মিডিয়া চেপে গেছে।

আর সবাই কত বিলিয়ন ডলারের মুনাফায় লালে লাল হয়ে যাচ্ছে- এই লোভে মশগুল ছিল। সবচেয়ে বড় কথা-শুরু থেকেই প্রমাণিত যে, হার্টের রোগীর জন্য এই ওষুধ নিষিদ্ধ অসংলগ্ন অস্থির হার্টবিটের চাপের মুখে রোগী পড়ে যেতে পারেন। অথচ তা ভারতের কেউ বলছেন না। তবে ট্রাম্প এই ওষুধের গ্লোবাল কোম্পানি সানোফির শেয়ারের মালিক বলে তিনিও এটাকে ‘প্রমাণিত’ ওষুধ বলে চালিয়ে দিয়ে চান। এফডিএ-এর ওপর তিনি চাপ দিয়ে যতটুকু করতে পেরেছেন, তা সত্ত্বেও এখনো ‘হাইড্রক্সি-ক্লোরোকুইন’কে করোনার ওষুধ হিসেবে অনুমোদন দেয়া হয়নি। তবু এটা বাজারে পাওয়া যায়। তবে সেটা ম্যালেরিয়ার ওষুধ হিসেবে। কোনো ডাক্তার এই ওষুধকে কেবল ‘অফ ড্রাগ’ হিসেবে ব্যবস্থা দিতে পারেন শর্তসাপেক্ষে। সেটা মরণাপন্ন করোনা রোগীর ক্ষেত্রেই। তবে রোগীকে জানিয়ে ব্যাখ্যা করে ‘সজ্ঞান-সম্মতি’ লিখিতভাবে নিয়ে, রোগী যদি রিস্ক নিতে রাজি থাকেন কেবল এমন বিশেষ পরিবেশে ও শর্তে তা সম্ভব। এটাও ট্রাম্প করেছেন এফডিএ’র কমিশনারের ওপর চাপ সৃষ্ট করে।

সবচেয়ে বড় কথা মাত্র গত ২৩ এপ্রিল ভারতের প্রথম যে পত্রিকা মিথ্যা লোভ ভেঙেছে ও রিপোর্ট করে দিয়েছে- সেটি কলকাতার ইংরেজি ‘টেলিগ্রাফ’। এর রিপোর্টের বাংলা শিরোনাম- ‘লোভ-লালসার ড্রাগ থেকে সাবধান হয়ে যান’ (ওয়ার্নিং অন কাভেটেড ড্রাগ)। ওই রিপোর্ট আমেরিকার ভার্জিনিয়া স্কুল অব মেডিসিনের স্টাডি-গবেষণার ফলাফলের রেফারেন্স উল্লেখ করে বলছে, ‘এজিথ্রোমাইসিন নামে অন্য ওষুধের সাথে অথবা ‘হাইড্রক্সি-ক্লোরোকুইন’ এই ম্যালেরিয়া ওষুধের করোনাভাইরাসের নিরাময়ে কার্যকারিতার কোনো প্রমাণ নেই।’
লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক