পুলিশের মাঠ পর্যায়ে ক্ষোভ

0
10

সেবা, সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য প্রতি বছরের মতো এবারও পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে চারটি ক্যাটাগরিতে ১১৮ কর্মকর্তাকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আজ রবিবার এসব কর্মকর্তাকে পদক পরিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে।

তবে এবার তদবিরের মাধ্যমে অনেক পুলিশ কর্মকর্তা বিপিএম ও পিপিএম পদকের জন্য নিজেদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মাঠ পর্যায়ে যারা বছরজুড়ে ভালো কাজ করেছেন তাদের অনেকেরই নাম পদকপ্রাপ্তদের তালিকায় নেই।

এতে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের দাবি, যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করেই বিপিএম-পিপিএম পদক দেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। কোনো রাজনৈতিক চাপ ও তদবিরে কাউকে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়নি।

ঢাকা মহানগর পুলিশসহ (ডিএমপি) দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঠপর্যায়ে কর্মরত একাধিক পুলিশ সদস্য দেশ রূপান্তরের কাছে অভিযোগ করেছেন, এবার পদকপ্রাপ্তের তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদের অনেকেই আগেও কয়েকবার পদক পেয়েছেন।

অথচ ভালো কাজ করেও অনেকের ভাগ্যে একবারও পদক জোটেনি। এমনকি পদকপ্রাপ্তের তালিকায় এমন কর্মকর্তার নামও আছে, যাদের উল্লেখযোগ্য কোনো সাফল্যই নেই।

পুলিশ সপ্তাহে প্রতি বছরই এ ধরনের অভিযোগ উঠছে। গত বছর জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে’ সম্পন্ন করায় পুলিশের ইতিহাসে ৬৪ জেলার এসপি ও সব মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ ৩৪৯ কর্মকর্তাকে পদক দেওয়া হয়েছিল। তখন এ নিয়েও আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছিল।

এবার অভিযোগ উঠেছে, ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতা তাদের পছন্দের পুলিশ কর্মকর্তাদের পদক দিতে সুপারিশ করেছেন। ওই সব নেতার পাশাপাশি পুলিশের শীর্ষপর্যায়ের কয়েক কর্মকর্তার আস্থাভাজন হিসেবে যারা পরিচিত, তাদের নামও চলে এসেছে তালিকায়। এছাড়া কোন কর্মকর্তা কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের, তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে তাও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, এবার ডিএমপির সর্বাধিক ৩০ কর্মকর্তার নাম পদকের তালিকায় চূড়ান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ডিএমপির গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের সদস্যরাই পাচ্ছেন ১৫টি পদক। এরপরই আছে র‌্যাবের নাম। এই সংস্থার ১৮ জন, পুলিশ সদর দপ্তরের ১২ জন ও পিবিআইর ৫ কর্মকর্তা এবার বিপিএম-পিপিএম পদক পাচ্ছেন।

পদকের জন্য নাম চূড়ান্তের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের দাবি, যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করেই ১১৮ জনকে বিপিএম-পিপিএম পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোনো রাজনৈতিক চাপ ও তদবিরে কাউকে পদক দেওয়া হয়নি। পদকের জন্য মনোনীত করার আগে সারা দেশ থেকে পুলিশ ও র‌্যাবের চৌকস সদস্যদের তালিকা যাচাই-বাছাই করা হয়। এ নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। সূক্ষ্মভাবে যাচাই-বাছাই করেই তালিকা করা হয়েছে। সত্যিকার অর্থে যারা ভালো কাজ করেছেন তাদেরই মনোনীত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে তদবিরে কোনো কাজ হয়নি।

তবে মাঠপর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, সারা বছর ভালো কাজ করার পরও অনেকের ভাগ্যে পদক জোটেনি। যারা পদক পেয়েছেন তাদের নিয়ে কোনো ক্ষোভ নেই। তাদের শুধু একটাই ক্ষোভ, ভালো কাজের মূল্য নেই। দলবাজি বা তদবির করতে না পারায় তাদের কপালে পদক জোটেনি।

ডিএমপির একটি থানার ওসি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমার থানাটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায়। সন্ত্রাসীদের কঠোরভাবে দমন করেছি। গ্রেপ্তার করেছি অনেককে। আমার থানায় অনেকেই নিরলসভাবে কাজ করেছে। কিন্তু কাউকে পদক দেওয়া হয়নি।’

চট্টগ্রাম রেঞ্জের একটি আলোচিত ঘটনার এক তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘আলোচিত মামলার তদন্ত করতে গিয়ে নিরলসভাবে কাজ করেছি। সফলতাও পেয়েছিলাম। তবে পদক পেলাম না। শুনেছি এক স্যারের পদক পাওয়ার কারণের মধ্যে ওই মামলার সাফল্যও আছে।’

আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘ভালো কাজ করেও পদকের পরিবর্তে আমাকে বদলি করা হয়েছে।’

পিবিআইর এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এক বছর এমনভাবে কাজ করেছি, বিপিএম বা পিপিএম পদক পাব। কিন্তু পেলাম আইজিপি ব্যাজ। আমার প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে তদবির করতে পারলে হয়তো পদক ভাগ্যে জুটত।’

ডিএমপির আরেক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘একজন মহিলা পুলিশ কর্মকর্তাকে সাহসিকতায় পদক দেওয়া হচ্ছে। এই নিয়ে আমাদের মধ্যেই সমালোচনা হচ্ছে। গেল বছর তার কোনো সফলতা নেই বললেই চলে। তিনি পেয়ে গেলেন পদক।’

পিবিআইর আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘ভালো কাজ করেও পদক ভাগ্যে জোটেনি। এবার আশা করেছিলাম, পদক ভাগ্যে জুটবে। কিন্তু সেই আশা ধুলোবালিতে মিশে গেছে। আর কখনই পদকের জন্য আশা করব না।’

ডিএমপির পদক পাচ্ছেন যারা : পুলিশের উপকমিশনার জামিল হাসান, উপকমিশনার শ্যামল কুমার মুখার্জী, ডিবির পুলিশের উপকমিশনার মশিউর রহমান, ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার শাহ ইফতেখার আহমেদ, ডিবি দক্ষিণের উপকমিশনার রাজীব আল মাসুদ, ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার আর এম ফয়জুর রহমান, ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার আরিফুল ইসলাম, ডিবি পূর্ব বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার আতিকুল ইসলাম, ডিএমপির মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার জাহিদুল ইসলাম সোহাগ, ডিএমপির গে-ারিয়া থানার ওসি সাজু মিয়া, ডিএমপির আরওআই কাইয়ুম শেখ, শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান, ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম, শ্যামপুর থানার এসআই সোহাগ চৌধুরী ও এএসআই মাসুম বিল্লাহ।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিট : কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপকমিশনার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মিশুক চাকমা, অতিরিক্ত উপকমিশনার এসএম নাজমুল হক, অতিরিক্ত উপকমিশনার মাহফুজা লিজা, অতিরিক্ত উপকমিশনার রহমত উল্লাহ চৌধুরী, অতিরিক্ত উপকমিশনার আহসান হাবীব, অতিরিক্ত উপকমিশনার তৌহিদুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার অহিদুজ্জামান নুর, সহকারী কমিশনার আতিকুর রহমান চৌধুরী, সহকারী পুলিশ কমিশনার ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ, পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ, এসআই আশুতোষ শীল, এএসআই সোলাইমান হোসেন, নায়েক মোহাম্মদ রাসেল মিয়া ও কনস্টেবল সালমান হাজারী।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন : র‌্যাবের মহাপরিচালক ড. বেনজীর আহমেদ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার, সদর দপ্তরের লে. কর্নেল মীর আসাদুল আলম, পরিচালক (গোয়েন্দা) লে. কর্নেল মাহাবুব আলম, র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ মোহাম্মদ নূরুস সালেহীন ইউসুফ, র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ, র‌্যাব-২ এর পুলিশ সুপার মুহম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী, র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার মেজর শাহীন আজাদ, র‌্যাব হেডকোয়ার্টার্সের উপপরিচালক মেজর এসএম সুদীপ্ত শাহীন, র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার মেজর মনিরুল ইসলাম, মেজর মাহমুদ হাসান তারিক, র‌্যাব-৮ এর মেজর খান সজিবুল ইসলাম, র‌্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন, র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদ আহম্মেদ, র‌্যাব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন ও সহকারী পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান, র‌্যাব হেডকোয়ার্টার্সের সার্জেন্ট শহীদুল ইসলাম ও র‌্যাব-১ এর সৈনিক রাকিব হোসেন।

পুলিশ সদর দপ্তর : অতিরিক্ত ডিআইজি মাহাবুবুর রহমান ভুইয়া, এআইজি এ এফ এম আনজুমান কালাম, এআইজি তামান্না ইয়াসমীন, এআইজি মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম, এআইজি মিলন মাহমুদ, পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরুল হুদা আশরাফী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ নেওয়াজ রাজু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরে আলম, পরিদর্শক জিয়াউর রহমান ও এসআই সোহাগ মিয়া।

স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) : এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম, বিশেষ পুলিশ সুপার জেরিন আখতার, বিশেষ পুলিশ সুপার জাহিদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম মিয়া, পুলিশ পরিদর্শক কাওছার আহম্মেদ, পরিদর্শক ইউনুস আলী শেখ, এসআই মনিরুজ্জামান ও এএসআই মোহাম্মদ মোহন মিয়া।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) : ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার, পিবিআই যশোর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন, পিবিআই ফেনী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, পিবিআই গাজীপুর জেলার পরিদর্শক হাফিজুর রহমান ও পিবিআই ফেনী জেলার পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহ আলম।

এছাড়া পদক পাওয়ার জন্য মনোনীত অন্য কর্মকর্তারা হলেন : খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন, নৌপুলিশের পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম, ১১ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক শাহীন আমীন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ-জিএমপির উপকমিশনার কে এম আরিফুল হক ও জিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মনজুর রহমান, বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) আরিফুর রহমান মন্ডল, নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা রেজা, সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জালাল উদ্দিন ফাহিম, গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন, হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, নরসিংদীর সহকারী পুলিশ সুপার থান্দার খায়রুল হাসান, এসএসএফের এএসপি মিরাজুল ইসলাম, সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল চাকমা, বরিশাল হিজলা নৌপুলিশের পরিদর্শক বেলাল হোসেন, শরীয়তপুরের ডামুড্যা থানার ওসি মেহেদী হাসান, বাগেরহাটের পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রামের রাউজান থানার ওসি মোহাম্মদ কেপায়েত উল্লাহ, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-সিএমপির পুলিশ পরিদর্শক রাজেস বড়ুয়া, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এইচ এম আবদুর রহমান মুকুল, সিআইডির পরিদর্শক ইব্রাহিম হোসেন, ডবলমুরিং থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান, রংপুরের তাজহাট থানার এসআই মামুনুর রশীদ, ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই আকরাম হোসেন, বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ফিরোজ সরকার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নারী ও শিশু সহায়তা কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই ইসমাতারা, সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ইয়াছিন আরাফাত, মানিকগঞ্জ সিংগাইর থানার এসআই আল মামুন, বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই জুলহাজ উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ তাড়াইল থানার এসআই রাজীব আহম্মেদ, টাঙ্গাইল দেলদুয়ার থানার এসআই হারুন অর রশিদ, বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ওয়াদুদ আলী, ঢাকা জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই বিলায়েত হোসেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসআই মাইনুল ইসলাম, বগুড়া শেরপুর থানার এএসআই নান্নু মিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডিবির এএসআই বিকাশ চন্দ্র সরকার, বগুড়া ডিবির এএসআই রানা হামিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার এএসআই আনোয়ার হোসেন, হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিওয়েন এএসআই মরহুম আক্তার হোসেন, ঝিনাইদহ জেলার এএসআই শরিফুল ইসলাম, নৌপুলিশ ঢাকার কনস্টেবল জীবন সিকদার ও খাগড়াছড়ির মহালছড়ির ৬ এপিবিএনের কনস্টেবল ফয়সাল আহমেদ।

উৎসঃ দেশ রুপান্তর