1. [email protected] : BD News : BD News
  2. [email protected] : Breaking News : Breaking News
আবরারকে মে'রে নাচগানে ব্যস্ত 'কিশোর আলো'! | News12
January 22, 2022, 9:14 pm

আবরারকে মে’রে নাচগানে ব্যস্ত ‘কিশোর আলো’!

Staff Reporter
  • Update Time : Saturday, November 2, 2019
  • 202 Time View

রাজধানীর রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে কিশোর আলোর একটি অনুষ্ঠানে বিদ্যু’ৎস্পৃষ্ট হয়ে নাইমুল আবরার (১৫) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃ’ত্যু হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে কলেজের পক্ষ থেকে পুলিশকে বিষয়টি না জানানোর কারণে তার মৃ’ত্যুর খবরটি গোপন থাকে। পরে সহপাঠীদের বিক্ষোভ ও ফেসবুকে পোস্টের কারণে বিষয়টি সামনে আসে।

আবরার ওই প্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণির দিবা শাখার শিক্ষার্থী ও আবাসিক ছাত্র ছিল। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলায়।

জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে কলেজ ক্যাম্পাসে কিশোর আলো আয়োজিত ‘লাভেলো কিআনন্দ’ অনুষ্ঠানে অংশ নেয় আবরার। অনুষ্ঠান চলাকালে মঞ্চের পেছনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সে গুরুতর আহ’ত হয়।

পরে আয়োজকরা তাকে উদ্ধার করে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গনেশ গোপাল বিশ্বাস জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কিশোর আলোর অনুষ্ঠানের মঞ্চের পেছনে আবরার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা’রা যায়। তবে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতের মর;দেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

আবরারের মৃ’ত্যুর তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পরেও অনুষ্ঠানটি চলতে থাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

এদিকে ফেসবুকে আবরারের মৃত্যু নিয়ে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন কিশোর আলোর সম্পাদক আনিসুল হক। তিনি লিখেছেন, ‘গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, কিশোর আলোর অনুষ্ঠান দেখতে এসে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল কলেজের ক্লাস নাইনের ছাত্র নাইমুল আবরার বিদ্যুতা’য়িত হয়।

ওখানেই জরুরি মেডিকেল ক্যাম্পে তাকে নেয়া হয়। দুজন এফসিপিএস ডাক্তার দেখেন। জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নিতে বলেন। হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃ’ত ঘোষণা করেন।’

আনিসুল হক আরও লিখেছেন, ‘আমার জীবনে এর চেয়ে ম’র্মান্তিক খবর আমি আর পাই নাই। আমি এখন হাসপাতালে আছি। প্রিন্সিপাল স্যার আছেন। নাইমুল আবরারের বাবা-মা এবং আত্মীয়রা আছেন।

আমি ও কিশোর আলো আজীবন আবারের পরিবারের সঙ্গে থাকব। যদিও এই অপূরণীয় ক্ষতি কিছুতেই পূরণ হবে না। আমি কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থায় আছি। নাইমুল আবরারের জন্য দোয়া করছি।’

এদিকে প্রথম আলো কর্তিপক্ষের উদাসীনতায় ব্যপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে জনসাধারণের মাঝে। সোস্যাল মিডিয়ায় বইছে ঝড়।

রাকিব হোসাইন লিখেছেন, আনিসুল হকের কিশোর আলোর সিগনেচার ইভেন্ট কিআনন্দ চলার সময়ে রেসিডেন্সিয়ালের এক বাচ্চা ইলেকট্রিক শকে আহ’ত হয়েছে৷ পরে তাকে হাসপাতালে নেয়ার পরে ছেলেটা মা’রা যায়। ছেলেটা ক্লাস নাইনে পড়ে।

নাইনে পড়ে বাচ্চা ছেলেটা!

তিনচারজনের স্ট্যাটাস পড়লাম। কয়েজনকে জিজ্ঞেস করে ঘটনাগুলা একটার সাথে আরেকটা মিলাইলাম। সীনারিওটা এমন হয়ঃ

১। পুরা প্রোগ্রাম জুড়ে সিকিওরিটি প্রটোকল মানা হয় নাই। লাইভ ইলেকট্রিক ওয়্যার ছড়ানো ছিল। এমন একটা তার থেকেই শক লাগসে।

২। শক খাওয়ার পরে ছেলেটাকে পাশের সোহরাওয়ার্দী হসপিটালে না নিয়ে দূরে মহাখালীতে পাঠানো হয়েছে, কারণ ফেস্টের স্পন্সর নাকি কোন এক মেডিক্যাল কলেজ আর হাসপাতাল। স্পন্সরের ইন্টারেস্ট ক্ল্যাশ নাকি করে এইজন্যে এই কাজ। রিমেম্বার, ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা না করে ছেলেটাকে কাছের হাসপাতালে নিলে হয়তো সারভাইভ করতে পারত! নিজেদের পা’ছা বাচাইতে স্রেফ মে’রে ফেলল অর্গানাইজাররা, কোল্ড ব্লা’ডেড মার্ডা’র!

৩। ছেলেটা জীবনমৃ’ত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকার সময়ে তারা কিআনন্দ উদযাপন করে গেছে। কাউকে ঘুণাক্ষরেও জানতে দেয়া হয় নাই। একটা দুর্ঘ’টনা ঘটার পরেও তারা কন্টিনিউ করসে বাকি বাচ্চাদের কথা চিন্তা না করে। কনসার্ট মারাইসে সিকিওরিটি এনশিওর না করে!

৪। ভলান্টিয়ারদের বাই ফোর্স ঘটনা চেপে যেতে বলা হয়েছে! মিডিয়াতেও এই ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে দিবে আর কি!

আনিসুল হক গং রা যে নিজেদের স্বার্থের জন্যে বা’চ্চা ছেলেমেয়েদের ইউজ করতে দ্বিধাবোধ করে না এইটা জানতাম। কিন্তু এরা যে একটা বাচ্চার জীবনের বিনিময়ে কিআনন্দ মারিয়ে পি’শাচের সমপর্যায়ে নামবে, এইটা কল্পনাতেও আসে নাই!

একটা চ্যাটের ফেস্টে একটা বা’চ্চা ইলেকট্রিফাইড হইসে মানে রি’স্ক আছে যে অন্যান্য বাচ্চারাও সেইম জিনিসের শিকার হইতে পারে! কিন্তু কিয়ের কি? নিজের স্বার্থ আগে!

আমি দুর্ঘ’টনা বলতে নারাজ কারণ এইটা ইররেসপন্সিবিলিটি, মার্ডা’রের সমতুল্য! খামখেয়ালি প্লাস স্বার্থের কারণে ক্লাস নাইনের বাচ্চাটার জীবন গেল!

আমি বলি, এখন কি হবে!

আনিসুল হক একটু পরেই একটা আবেগঘন স্ট্যাটাস মারাবেন এবং কেইসটাকে ইনিয়ে বিনিয়ে হালকা করার চেষ্টা করবেন! সেই সাথে কিআর সাথে জড়িত কিছু পান্ডা প্লাস ভলান্টিয়ার এই ঘটনা প্লাস অর্গানাইজারদের ডিফেন্ড করে সোশ্যাল মিডিয়া ভরায়ে ফেলবে।

কেই স্বেচ্ছায় করবে কেউ অনিচ্ছায়! সেই সব পোস্টের মধ্যে একটা সুর কমন থাকবেঃ কিআ অনেক করেছে শিশুদের জন্যে, আজ একটা অনা’কাংখিত ঘটনায় সবাই কিআর বিরুদ্ধে ষ’ড়যন্ত্র করছে, গুজব ছড়িয়ে জল ঘোলা করছে ইত্যাদি ইত্যাদি!

কেউ একজন কিআনন্দ এর ফেসবুক ইভেন্ট পেইজে পোস্ট দিয়েছিল ক্ল্যারিফিকেশান চেয়ে! বাকস্বাধীনতা চর্চা মা’রিয়েছেন তারা, নগদে পোস্টটা ডিলিট করে দিয়েছেন! মানে, আপ্রাণ চেষ্টা করা হবে যেন এইটা নিয়ে কোন ভয়েস না উঠে! কারণ অনেক এনটিটি জড়িত!

মানে, ফেস্টিভাল > মানুষের জীবন!

বাচ্চারা, তোমাদের সেলিব্রিটি, আইকনদের চিনে নিও!

-রাকিব হোসাইন

#BoycottKishorAlo
#JusticeForAbrar

উৎসঃ jagonews24

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

Releted
কপিরাইট : সর্বস্বর্ত সংরক্ষিত (c) ২০২২
Develper By ITSadik.Xyz