নিউজ ডেস্কঃ ফের অশান্ত হয়ে উঠেছে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীর অংশ। পুলওয়ামা হামলার মাস চারেক পর আবারও ভারতীয় জওয়ানদের ওপর হামলা চালাল সন্ত্রাসীরা। হামলায় সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) পাঁচ জওয়ান নিহত হয়েছেন।

আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন। বুধবার সন্ধ্যায় এ হামলা চালানো হয়। এসময় নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা হামলায় এক সন্ত্রাসীও নিহত হয়েছে। নিহত জওয়ানরা হলেন সহকারী উপ-পরিদর্শক নীরু শর্মা, কনস্টেবল এস কুমার, কনস্টেবল এম কে কুশওয়া, সহকারী উপ-পরিদর্শক রমেশ কুমার ও কনস্টেবল মহেশ কুমার।

হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন আল-উমর মুজাহিদিন। জানা যায়, দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগে ব্যস্ত কেপি চকের কাছে বাসস্ট্যান্ডে টহল দিচ্ছিলেন সিআরপিএফ জওয়ানরা।

সে সময় মোটরসাইকেলে চড়ে সেখানে আসে দুই জঙ্গি। জওয়ানদের লক্ষ্য করে তারা স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এসময় ঘটনাস্থলেই এক জওয়ান নিহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পরে চারজন মারা যান। সূত্র : এনডিটিভি

আরো পড়ুন>> মুঠোফোনে কথা বলার জন্য এখন থেকে ৫ টাকার বেশি ধার দিতে পারবেন না অপারেটরগুলো বলে জানিয়েছেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

এ ঘোষণার আগে মোবাইল অপারেটরগুলো থেকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত ধার নেয়া যেত। তবে গ্রাহকদের বিড়ম্বনার বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে টেলিযোগাযোগ সেবার ওপর বিটিআরসি আয়োজিত এক গণশুনানিতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) রাজধানী ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে গ্রাহকের অজান্তে টাকা কেটে নেওয়া, বাণিজ্যিক খুদেবার্তা ও কল করে বিরক্ত করা, নেটওয়ার্কের নিম্নমান, দ্রুতগতির ইন্টারনেট না থাকা, গ্রামে নিম্নমানের সেবা, কলরেট ও ইন্টারনেটের দাম নিয়ে নানা অভিযোগ করেন গ্রাহকেরা।

সিদ্ধান্ত মোতাবেক এখন থেকে মোবাইলে কথা বলার জন্য ৫ টাকার বেশি ধার বা ঋণ দিতে পারবেন না মোবাইল ফোন অপারেটররা। এতে গ্রাহকের অজান্তে টাকা কেটে নেয়া এবং শুধুমাত্র বাণিজ্যিক কারণে এসএমএস ও কল করে বিরক্ত করা, নেটওয়ার্কের নিম্নমান, দ্রুতগতির ইন্টারনেট না থাকা, গ্রামে নিম্নমানের সেবা, কলরেট ও ইন্টারনেটের দাম নিয়ে নানা অভিযোগ করেন গ্রাহকরা।

১৬৫ জন গ্রাহক অভিযোগকারী হিসেবে আমন্ত্রণ পেলেই মোট ৩০ থেকে ৩২ জনকে অভিযোগ করার জন্যর ফ্লোর দেয়া হয়। এক গ্রাহক অভিযোগ করেন, অপারেটররা ২০০ টাকা পর্যন্ত ধার দিচ্ছেন। ধার নিয়ে টাকা খরচের পর যতবার ছোট অংকের অর্থ রিচার্জ করা হচ্ছে, ততবার টাকা কেটে নেয়া হচ্ছে।

মানুষ ধার নেয় সাধারণত জরুরি প্রয়োজনে। তাই পরিমাণ ৫-১০ টাকার বেশি হওয়া উচিত নয়। গ্রাহকের এমন অভিযোগের পর ৫ টাকার বেশি ধার না দেয়ার সিদ্ধান্ত আসে। এ সময় বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক, মহাপরিচালক এ বি এম হুমায়ুন কবিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ১২/নি

staf.news
admin@news12.us