নিউজ ডেস্কঃ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। তিনি আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকেও নির্বাচন করছেন।

পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির হয়ে লড়েছিলেন। আজ বুধবার (১২ জুন) রাত ১০টায় নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে রিজভীকে নিয়ে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন গোলাম মাওলা রনি।

পাঠকদের জন্য তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো- ‘রিজভী ভাইয়ের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয়েছিল টকশোর মাধ্যমে আর সময়টা ছিল 2009 কিংবা 2010 সাল! বয়সে আমি তার অনেক ছোট কিন্তু তিনি আমার সঙ্গে এমন ভদ্রতা দেখাতেন যা দেখলে মনে হতো

আমিই হয়তো তার বড় ভাই ! তার সেই ভদ্রতার জন্য আমি সব সময় তাকে বিশেষ সমীহ করতাম ! ইদানিং কালে রিজভী ভাইকে নিয়ে যা হচ্ছে তা খুবই দুঃখজনক ! একজন মানুষ দলের জন্য গুলি খেয়ে পঙ্গু হলো,

সারাটি জীবন দলের জন্য সব কিছু উৎসর্গ করলো, পরিবার পরিজনকে বঞ্চিত করে দলের সেবা করল ! অথচ দলের এক শ্রেণীর নেতা কর্মী তার এই অবদান নিয়ে ঠাট্টা মসকরা অথবা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করছে ! একটু ভাবুনতো – যদি বিষয়টা আপনার ক্ষেত্রে ঘটতো !’

আরো পড়ুন>> বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলা বলতে পারতেন না বলে দাবি করেছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।

তিনি বলেন, যুদ্ধের সময় জিয়া মুক্তিযুদ্ধে একটি সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধ করলেও পাকিস্তানের ‘চর’ হয়ে অংশ নেন। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাগো বাংলা ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা ও আমাদের স্বাধীনতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামসুদ্দিন মানিক বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘খুনের মূল পরিকল্পনাকারী’ ছিল জিয়াউর রহমান। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার প্রসিকিউটর ছিলাম আমি।

মামলা থেকে এটা পরিষ্কার যে, বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী তিনি। যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের চর হিসেবে যোগ দেন। পাকিস্তানের একটি জাহাজ খালাস করতে গিয়ে মুক্তিবাহিনীর নজরে পড়ে যান।

তখন জীবন বাঁচাতে মুক্তিযোদ্ধা সাজেন। জিয়াউর রহমান বাংলাও বলতে পারতেন না। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা প্রস্তাবকে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ উল্লেখ করে এ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বলেন, তার ছয় দফা ছিল বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ।

সেই ছয় দফা যদি সেদিন মেনে নেওয়া হতো, তাহলে সেদিনই বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হতো। ছয় দফার প্রতি জনগণের পূর্ণ সমর্থন ছিল। বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলনেরও নেতৃত্ব দেন, যা আমাদের দেশে সেভাবে প্রচারিত হয় না।

সেমিনারে জাতীয় বিশ্বিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হারুন অর রশিদ লিখিত মূল প্রবন্ধ পাঠ করা হয়। এতে ছয় দফা, দফার পটভূমি, দফা প্রচারকালে বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য এবং স্বাধীনতাযুদ্ধে এর প্রভাব তুলে ধরা হয়।

জাগো বাংলা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী নাসির আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল প্রমুখ।

নিউজ১২/নি

staf.news
admin@news12.us