‘স্বয়ং ফেরেশতার অধীনে নির্বাচন হলেও বিএনপি প্রশ্নবিদ্ধ করবে’

ফেরেশতার অধীনেও যদি নির্বাচন হয় আর বিএনপি হেরে যায়, তারা সেখানেও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ এ আরাফাত।

আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একথা লিখেছেন তিনি।



আরাফাত লিখেছেন- বিএনপি-জামাত/ঐক্যফ্রন্ট বলছে নির্বাচন নাকি ২৯ তারিখ রাতেই হয়ে গেছে। আমার প্রশ্ন, তবে তারা ৩০ তারিখ সকালে নির্বাচন বর্জন করলো না কেনো? কেনো বলেনি, ভোট আগের দিন রাতে হয়ে গেছে, আমরা নির্বাচন থেকে সরে এসেছি। উল্টো ফখরুল সাহেব ৩০ তারিখ সকালে ভোট দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। কিন্তু বিকালে যখন নির্বাচনের ফলাফল আসতে শুরু করেছে তখন তারা বুঝতে পেরেছেন জনগণ তাদের আবারো ভোটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করেছে। আর তখনই শুরু করলো নতুন বাজনা, ‘ভোট ২৯ তারিখ রাতেই হয়ে গেছে’।

বিএনপির পরিভাষায় সুষ্ঠু নির্বাচনের অর্থ হলো, যেকোনো ভাবে তাদের ক্ষমতায় বসিয়ে দেওয়া। অন্যথায়, স্বয়ং ফেরেশতার অধীনেও যদি নির্বাচন হয় আর বিএনপি হেরে যায়, তারা সেখানেও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হবে।



(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। বাংলাদেশ টুডে এবং বাংলাদেশ টুডে-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

বিএনপি-জামায়াত জোট ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেছিলে : প্রধানমন্ত্রী””’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনটা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে হলেও কিছু কিছু জায়গায় বিএনপি-জামায়াত জোট মিলে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করতে গেছে। কোথাও কোথাও নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করেছে। তাদের এই অপকর্মের কারণে বেশ কিছু প্রাণহানি ঘটেছে। যার মধ্যে আমাদের দলীয় অনেক নেতা-কর্মীও আছেন।’

আজ শনিবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের যৌথ সভার সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।



শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার কাছে সমস্ত ঘটনা লিপিবদ্ধ করা আছে। আপনারা মাঠে-ঘাটে দেখেছেন, টেলিভিশনে দেখেছেন, কীভাবে তারা প্রচেষ্টা চালিয়েছিল কোনোমতে নির্বাচনটা যেন বানচাল করা যায়। কিন্তু তা তারা পারে নাই। এখন বিএনপি নির্বাচনে হেরেছে, এই দোষটা তারা কাকে দেবে? দোষ দিলে তাদের নিজেদের দিতে হয়। কারণ, একটি রাজনৈতিক দলের যদি নেতৃত্ব না থাকে, মাথাই না থাকে, তাহলে সেই রাজনৈতিক দল কীভাবে নির্বাচনে জয়ের কথা চিন্তা করতে পারে?’

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিভিন্ন দুর্নীতি অপকর্মের কথা তোলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল পলাতক আসামিকে দিয়ে রাজনীতি করতে গেলে সেখানে কী রেজাল্ট হয়, সেটাই তারা পেয়েছে। তাও হতো না, যদি তারা নির্বাচনে যে প্রার্থী দিয়েছে, সেই প্রার্থী নিয়ে মনোনয়ন বাণিজ্যটা না করতো। তাহলে আরও ভালো ফল তারা করতে পারতো।’



মনোনয়ন বাণিজ্য নিয়ে বিএনপির মধ্যে বিশৃঙ্খলার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ তো জানতে পেরেছে তাদের চরিত্রটা কী? তাদের চরিত্র শোধরায়নি। তাই জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। তারপরও যে কয়টা সিটে তারা জিতেছে, গণতন্ত্রের স্বার্থে, তাদের পার্লামেন্টে আসা প্রয়োজন। কারণ আমরা এটুকু বলতে পারি যে, আমরা যখন সরকারে এসেছি, আমরা দেশের জন্য কাজ করেছি। জনগণের জন্য কাজ করেছি। আমরা কিন্তু কাউকে কোনো হয়রানি করতে যাইনি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *