মির্জাপুরে কে পাচ্ছেন ধানের শীষ কালাম না সাইদ, ধোয়াশায় নেতাকর্মীরা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনে কে পাচ্ছেন ধানের শীষ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী না সাইদুর রহমান সাইদ সোহরাব এ নিয়ে ধোয়াশায় পরেছে দলের নেতাকর্মীরা।

বিএনপি থেকে দুইজনকে মনোয়নপত্র দেওয়ায় বেকায়দায় পরেছে বিএনপির হেভিওয়েট এই দুই প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা। দলীয় প্রার্থী চুড়ান্ত না হওয়ায় তারা মাঠেও কাজ করতে পারছে না বলে জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে জল্পনা কল্পনা একটাই আসলে কে পাচ্ছেন টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনের বিএনপির দলীয় ধানের শীষের টিকেট।

বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী জানায়, মির্জাপুরে নাশকতা ও গায়েবী মামলায় বিএনপির নেতাকর্মীরা আতœগোপনে চলেও গেলেও গ্রেফতার উপেক্ষা করে দলীয় মনোয়নপত্র সংগ্রহ করেন বিএনপির ৫ নেতা। পুলিশের গায়েবী, নাশকতা পরিকল্পনাকারী মামলায় বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মী আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী সংকটসহ নানা জটিলতায় পরেছে মির্জাপুর উপজেলা বিএনপি। প্রভাবশালী কোন নেতাকে মির্জাপুরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ তাদের গ্রেফতারের জন্য বাড়ি বাড়ি তল্লাসি করছে বলে তাদের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন। বিভিন্ন মামলায় বিএনপি ও এর সহযোগি সংগঠনের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছে। তারা অভিযোগ করেছেন পুলিশের মিথ্যা ও সাজানো মামলায় এখন আমরা এলাকা ছাড়া।

দলীয় সূত্র জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলটির এখন হযবরল অবস্থা হয়ে পরেছে। দলকে চাঙ্গা ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশের গ্রেফতার উপেক্ষা ও হুলিয়া মাথায় নিয়ে ৫ নেতা দলীয় মনোয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। তারা হলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাবির মহসিন হলের সাবেক জিএস মো. সাইদুর রহমা সাইদ সোহরাব, জেলা বিএনপির সদস্য মো. ফিরোজ হায়দার খান, কেন্দ্রীয় নেতা মো. সাদেক আহমেদ খান ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শিল্পপতি একেএম আজাদ স্বাধীন। নানা জটিলতার কারনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি ও মনোয়ন বোর্ড আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ও সাইদুর রহমান সাইদকে দলীয় মনোয়ন দিয়ে চিঠি দিয়েছেন। এখন পর্যন্ত কাউকে চুড়ান্ত করা হয়নি।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক তারিকুল ইসলাম নয়া বলেন, এখনো পর্যন্ত মনোনয়ন কে পাবে এ বিষয়ে দল কোন সিন্ধান্ত দেয়নি। যাকেই দল মনোনয়ন দিবেন তার হয়েই আমরা কাজ করে যাব।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম মিজানুল হক মিজান বলেন, বিএনপি ও এর সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীসহ কাউকে হয়রানী ও উদ্যেশ্য প্রনোদিত ভাবে মামলা দেওয়া হয়নি। কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সু নিদিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পরই তাদের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে।

বিএনপিতে ঐক্য, আ. লীগে বিভেদ
দলীয় মনোনয়ন নিয়ে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে যে বিভেদ দেখা দিয়েছিল তা এখনও মেটেনি। বিভেদ মাথায় নিয়েই নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দলটি।

অন্যদিকে হেভিওয়েট নেতার মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও ঐক্য ধরে রেখেছে বিএনপি। তারা আশাবাদী, আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাবেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল হক।

আমিনুল হক ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনবার এই আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে ২৭টি মামলা হয়েছে। মামলার কারণে আত্মগোপন করায় তিনি নবম সংসদ নির্বাচনে নিতে পারেননি। সে নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে হেরেছেন তার ভাই সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা এম এনামুল হক।

এবার আমিনুল বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পান। তবে মামলায় সংক্রান্ত জটিলতায় যাচাই-বাছাইকালে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। আমিনুল তার প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করেছেন।

এই আসনে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আমিনুলের স্ত্রী আভা হক ও বিএনপির প্রবাসী নেতা শাহাদাত হোসেনকেও দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়। এদের মধ্যে শাহাদাতের প্রার্থিতাও বাতিল হয়েছে।

শরিক দল জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও তারও প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। টিকে আছেন কেবল আভা হক। আমিনুলের প্রার্থিতা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় এখন তাকে নিয়েই নির্বাচনের মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তবে তারা এ-ও আশা করছেন যে আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাবেন তিনি।

বিএনপির এই নেতার হলফনামা ঘেঁটে দেখা গেছে, তার বিরুদ্ধে ১৯টি মামলা এখনও বিচারাধীন। এসব মামলায় তিনি জামিনে। আমিনুলের আরও পাঁচটি মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে আদালতে। এর মধ্যে বিচারিক আদালতে তার দুটি মামলায় কারাদ- হয়, খালাস পান তিনটি থেকে। তদন্তকালে অব্যাহতি পেয়েছেন আরও তিনটি মামলা থেকে। বিচারিক আদালতে যেসব মামলায সাজা হয়, সেগুলো থেকে আপিলে তিনি খালাস পান উচ্চ আদালতে। তবে এই খালাসের নথি না থাকার কারণেই তার প্রার্থিতা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুস সালাম শাওয়াল বলেন, ‘গোদাগাড়ী-তানোরে এখনও আমিনুল হকের বিকল্প নেই। তিন দফায় এমপি থাকাকালে তিনি এ অঞ্চলের রাস্তাঘাট তৈরি করেন। বেকার যুবকদের পুলিশ বাহিনীসহ বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেন। এ কারণে বিএনপি ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আমিনুল হকের ইতিবাচক ভাবমুর্তি রয়েছে। তিনি ভোটে থাকলে যে কোনো প্রার্থীর জন্য জয় পাওয়া কঠিন। তবে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলেও তার প্রতিনিধি হিসেবে যিনি থাকবেন জনগণ তাকেও ফেলে দেবে না। আর ধানের শীষের জয়ের জন্য দুই উপজেলার বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ। কোথাও বিভেদ আছে, এমনটি কেউ দেখাতে পারবে না।’

এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী ২০০১ সালের অষ্টম নির্বাচনে প্রথম অংশ নিয়ে আমিনুল হকের কাছে পরাজিত হন। নবম সংসদ নির্বাচনে তিনি আমিনুলের ভাই এনামুলকে হারিয়ে প্রতিশোধ নেন। দশম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি আবারও এমপি হন।

দুইবার সংসদ সদস্য হওয়ার পর দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে ওমর ফারুকের। এবার প্রার্থী হতে দলের মনোনয়ন ফরম কেনেন আরও নয় জন নেতা।

কিন্তু প্রার্থিতা ঘোষণা নিয়ে স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে ফারুক চৌধুরীর যে দূরত্ব তৈরি হয় তা এখনও মেটেনি। এখনো পাশে আসেননি তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র গোলাম রাব্বানী। গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বদরুজ্জামান রবু মিয়াও দূরে দূরে।

আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘আমি মনোনয়ন না পাওয়ায় এমপির সমর্থকরা আমার সমর্থকদের প্রকাশ্যে গালাগালি দিয়ে এলাকাছাড়া করার হুমকি দিয়েছেন। তারা আমার বাড়ি ও দোকানের সামনে বাজি ফুটিয়ে উল্লাস করেছেন। তারা খুবই শত্রুতাপূর্ণ ও বৈরী আচরণ শুরু করেছেন। এতে নৌকা প্রতীকের পক্ষে ভোটে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের পরিবেশ বিঘিœত হচ্ছে।’

এ বিষয়ে কথা বলতে বৃহস্পতিবার সকালে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। তাই তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দ্বিতীয় দিনে মনোনয়ন বৈধ হল যাদের

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিলের শুনানি চলছে।

শুক্রবার সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এ শুনানি শুরু করে নির্বাচন কমিশন।
আজ ১৬১-৩১০ নম্বর সিরিয়ালের প্রার্থীদের আপিল আবেদনের শুনানি ও নিষ্পত্তি হচ্ছে। সেই সঙ্গে গতকালের পেন্ডিং থাকা চারজনের শুনানিও আজ হবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদাসহ অন্য নির্বাচন কমিশনাররা শুনানি করছেন। প্রতিটি আবেদনের আপিল শুনানি শেষে সঙ্গে সঙ্গেই রায় জানিয়ে দিচ্ছে কমিশন।

শুনানির দ্বিতীয় দিনে বেশ কয়েকজন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। আবার আপিলেও ব্যর্থ হয়েছেন অনেকে। নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত রায়ে বেশ কয়েকজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেছে।

আপিলে যারা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন-

আবদুল খালেক ও জিয়া উদ্দিন (বিএনপি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬;

মুসলিম উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪;

হাসান মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম-৮;

আবু আহমেদ হাসনাত চট্টগ্রাম-৭;

আলতাফ হোসাইন কুমিল্লা-১;

গিয়াস উদ্দিন (স্বতন্ত্র) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২;

মেহেদী হাসান (ইসলামী ঐক্যজোট) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫;

খোরশেদ আলম চট্টগ্রাম-৮;

একে ফাইয়াজুল হক বরিশাল-২;

নির্বাচন কমিশনের পুনঃতফসিল অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ হবে। গত ২৯ নভেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এর পর গত রোববার মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সারা দেশে ৭৮৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এদের মধ্যে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীও রয়েছেন।

প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন ৫৪৩ প্রার্থী। প্রথম দিনে ৮৪, দ্বিতীয় দিনে ২৩৭ ও তৃতীয় দিনে ২২২টি আবেদন নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা পড়ে। তবে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেননি ২৪৩ প্রার্থী।

আজ থেকে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিলের শুনানি ও নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে এ কার্যক্রম শেষ হবে শনিবার।

বৃহস্পতিবার ১-১৬০ পর্যন্ত আপিলের নিষ্পত্তি করা হয়। এতে ৮০ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। বিএনপির ৩৯ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। চারটি আবেদন পেন্ডিং রাখা হয়।

আজ শুক্রবার ১৬১-৩১০ পর্যন্ত আর শনিবার ৩১১-৫৪৩ পর্যন্ত বাতিল হওয়া মনোনয়ন প্রার্থীর আপিলের নিষ্পত্তি করা হবে।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, ক্রমিক অনুসারে আপিলের নিষ্পত্তি করা হবে। আপিলের ফল সঙ্গে সঙ্গে জানিয়ে দেয়া হবে। কোনো প্রার্থীর আপিল গ্রহণ করা হলে, তা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানিয়ে দেয়া হবে।

ফরিদুল কবীরের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিএনপিতে উচ্ছ্বাস
ঢাকায় প্রধান নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আপিল শুনানিতে জামালপুর ৪ (সরিষাবাড়ী) আসনের বিএনপি দলীয় একক প্রার্থী জামালপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ নিয়ে এ আসনের বিএনপি ও এর সহযোগী দলগুলোর সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে আনন্দ উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে। রিটার্নিং অফিসার তার মনোনয়নপত্র বাতিল করায় এ আসন বিএনপি প্রার্থীশূন্যতায় পড়েছিল।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জামালপুরের রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর ২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদে পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়ার কারণ দেখিয়ে মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীমের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। তবে বৃহস্পতিবার ঢাকায় প্রধান নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানি শেষে তিনি তার প্রার্থিতার বৈধতা ফিরে পেয়েছেন।

সরিষাবাড়ী পৌর শাখা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জহুরুল ইসলাম পিন্টু কালের কণ্ঠকে জানান, ঢাকা থেকে সংবাদ আসার সাথে সাথেই এ আসনের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে সমবেত হয়। আমাদের প্রার্থীকে ফিরে পাওয়ায় সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এ ব্যাপারে এ আসনের বিএনপি দলীয় প্রার্থী মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে কালের কণ্ঠকে বলেন, সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে বের হয়েছি। সুষ্ঠুভাবে জনগণ ভোট দিতে পারলে বিজয় আমাদের হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। শাসক নয়, আমি জনগণের সেবক হয়ে জনগণের জন্য কাজ করে যেতে চাই।

বিকালে ৩০০ আসনের প্রার্থী ঘোষণা করবে ঐক্যফ্রন্ট:

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও তার শরিক বিএনপির ৩০০ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা আজই ঘোষণা করা হবে। গণফোরাম কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আরামবাগে গণফোরাম কার্যালয়ে বিকেল ৩টায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন গণফোরামের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য লতিফুল বারী হামীম।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৩০০ সংসদীয় আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৩ শরিক দল ও ২০ দলীয় জোটের ১৯ দলকে প্রায় ৬০টি আসন ছাড়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জোটের প্রধান দল বিএনপি। তবে এই সংখ্যা কমবেশি হতে পারে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা। চূড়ান্ত ঘোষণাতেই বিষয়টি প্রকাশ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *